হাজার থেকে কোটিপতি: জেনডায়ার হলিউড জয়ের অজানা গল্প
- আপডেট সময় : ১০:৫৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

১৯৯৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন জেনডায়া। বর্তমানে ৩০ বছর বয়সী এই তারকা হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন অভিনেত্রী, প্রযোজক, গায়িকা ও ফ্যাশন আইকন হিসেবে। তাঁর শৈশব কেটেছে থিয়েটার ও অভিনয়ের পরিবেশে, কারণ তাঁর মা-বাবা ছিলেন শিক্ষক এবং থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। ছোটবেলা থেকেই নাচের তালিম নেওয়া জেনডায়া ক্যালিফোর্নিয়া শেক্সপিয়ার থিয়েটারের নেপথ্যের কাজের মাধ্যমে অভিনয়ের হাতেখড়ি করেন।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে ডিজনি চ্যানেলের ‘শেক ইট আপ’ সিরিজে রকি ব্লু চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে কিশোর দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান তিনি। তবে কিশোরী অভিনেত্রীর তকমা ঝেড়ে সিরিয়াস অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা ছিল তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। নিজের পছন্দ ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি সব সময় কাজ বেছে নিয়েছেন। ২০১৩ সালে তিনি নিজের নামে অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যার ‘রিপ্লে’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তবে অভিনয়ের প্রতিই ছিল তাঁর মূল ঝোঁক। ২০১৭ সালে ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’ সিনেমায় জোন্স চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর পরিচিতি আরও বাড়ে।
জেনডায়ার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট আসে এইচবিওর ‘ইউফোরিয়া’ সিরিজের মাধ্যমে। মাদকাসক্তি ও মানসিক সংকটে থাকা রু বেনেট চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০২০ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সে প্রাইমটাইম এমি অ্যাওয়ার্ড জেতেন, যা তাঁকে এই বিভাগে পুরস্কার পাওয়া সবচেয়ে কম বয়সী অভিনেত্রীতে পরিণত করে। ২০২২ সালেও তিনি একই পুরস্কার অর্জন করেন।
ক্যারিয়ারের শুরুতে তাঁর পারিশ্রমিক ছিল কয়েক হাজার টাকার ঘরে। কিন্তু সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তা দ্রুত বাড়তে থাকে। ‘ডুন’ সিনেমায় তিনি তিন লাখ ডলার পারিশ্রমিক নিলেও ‘ইউফোরিয়া’র প্রতি পর্বে তাঁর পারিশ্রমিক প্রায় ১০ লাখ ডলারে পৌঁছায়। সর্বশেষ ‘চ্যালেঞ্জার্স’ সিনেমায় তিনি এক লাফে পারিশ্রমিক নেন এক কোটি ডলার, অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে তিনি কোটিপতি নায়িকার তালিকায় নাম লেখান।
ব্যক্তিগত জীবনে ‘স্পাইডার-ম্যান’ সিনেমার সহ-অভিনেতা টম হল্যান্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও বিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দেয়। খ্যাতির সঙ্গে আসা মানসিক চাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনা সামলানোর ক্ষেত্রে তিনি সব সময় নিজের মানসিক শান্তিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। জেনডায়ার মতে, নিজেকে মেলে ধরা এবং ব্যর্থ হতে ভয় না পাওয়াটাই তাঁর সাফল্যের মূল মন্ত্র।
২০১০ সালে শুরু হওয়া সিরিজটি তাঁকে কিশোর দর্শকদের কাছে পরিচিত করে তোলে।




























