বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষক পাচ্ছেন লাখ টাকার সম্মাননা
- আপডেট সময় : ০৬:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে বিশেষ অনুদান ও সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নত করতে এবং শিক্ষকদের উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে সাংবাদিকদের এ পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষকরাই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। যারা মাঠ পর্যায়ে চমৎকার কাজ করছেন, তাদের কাজের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত ও উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের এই অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত করা হবে। এ উদ্দেশ্যে সেরা শিক্ষক নির্বাচনের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। মন্ত্রী জানান, আগে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। বর্তমান সরকার সেই পরিধি বাড়িয়ে সারা দেশের দক্ষ ও গুণী শিক্ষকদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার বাছাইকৃত ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হবে।
একই সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানান, নতুন পে স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি কর্মচারীরা যেভাবে সুবিধা পাবেন, বেসরকারি শিক্ষকরাও সেই অনুপাতেই সুবিধা ভোগ করবেন।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৬ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষকদের নিজেদের কন্ট্রিবিউশনের বকেয়া অংশ ইতিমধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রদেয় বাকি অনুদানের অর্থও পর্যায়ক্রমে পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষকদের আচরণবিধি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা নিজেদের শিক্ষিত আচরণ দিয়েই সমাজকে আলোকিত করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো ধরনের অযাচিত কর্মকাণ্ড রোধ করতে এবং শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।




























