ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আগামী মাসেই গ্রিডে আসছে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন আজ বুধবার গুলশানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের কার্যালয়ে প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ তথ্য জানান। এফবিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বৈঠকের কথা জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, প্রকল্পের কারিগরি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় চার হাজার রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। রাষ্ট্রদূত খোজিন জানান, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুতে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আন্তসরকার কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এছাড়া মস্কোতে একটি ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের, যা দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে। এই ফোরামে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের প্রোফাইলের ওপর ভিত্তি করে বিটুবি বৈঠকসহ বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করা হবে।

বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতগুলোর দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বিশেষ করে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক এবং রাশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে মানবসম্পদ রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির বিষয়ে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। এছাড়া রাশিয়ার তীব্র শীতের উপযোগী ভারী জুতা ও চামড়াজাত পণ্যেরও সেখানে ভালো চাহিদা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষি, মৎস্য, জাহাজনির্মাণ শিল্প এবং সেবা খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা প্রদান করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী মাসেই গ্রিডে আসছে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

আপডেট সময় : ০৯:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন আজ বুধবার গুলশানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের কার্যালয়ে প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ তথ্য জানান। এফবিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বৈঠকের কথা জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, প্রকল্পের কারিগরি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রায় চার হাজার রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। রাষ্ট্রদূত খোজিন জানান, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুতে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আন্তসরকার কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এছাড়া মস্কোতে একটি ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের, যা দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে। এই ফোরামে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের প্রোফাইলের ওপর ভিত্তি করে বিটুবি বৈঠকসহ বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করা হবে।

বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতগুলোর দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বিশেষ করে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক এবং রাশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে মানবসম্পদ রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির বিষয়ে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। এছাড়া রাশিয়ার তীব্র শীতের উপযোগী ভারী জুতা ও চামড়াজাত পণ্যেরও সেখানে ভালো চাহিদা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষি, মৎস্য, জাহাজনির্মাণ শিল্প এবং সেবা খাতে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা প্রদান করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo