ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুটি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



টানা বৃষ্টি ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম এখন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও, হাতিরপুল ও মোহাম্মদপুরের টাউন হল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে পাওয়া ২১ ধরনের সবজির মধ্যে কেবল পেঁপে ও বড় করলা ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং করলা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে অন্যান্য সবজির দাম আকাশচুম্বী। প্রতি কেজি গাজর ও টমেটো ১২০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, ছোট করলা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা এবং শিম ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস কচু ৬০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ টাকা দরে। বরবটির দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের মতে, বৃষ্টির মৌসুমে সাধারণত কচুর লতি, কাঁকরোল, ঢ্যাঁড়স, পটল, ধুন্দল ও কচুর মুখির সরবরাহ বেশি থাকে এবং দাম কম হওয়ার কথা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সবজি বিক্রেতা আমির জানান, অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। বিক্রেতা মিজান এ পরিস্থিতির জন্য ঝড়-বৃষ্টি ও চাষাবাদ কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ছে বলে জানান তিনি।

সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস ও ডিমের দামও চড়া। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে বাইন মাছ ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছের দাম আকারভেদে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

নিত্যপণ্যের এই উচ্চমূল্য নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সবুজ আহমেদ বলেন, মাছ-মাংসের চড়া দামের পাশাপাশি সবজির দাম বেড়ে যাওয়া উদ্বেগের কারণ। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, ৫০ টাকার নিচে মিলছে মাত্র দুটি

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম এখন ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও, হাতিরপুল ও মোহাম্মদপুরের টাউন হল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে পাওয়া ২১ ধরনের সবজির মধ্যে কেবল পেঁপে ও বড় করলা ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং করলা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে অন্যান্য সবজির দাম আকাশচুম্বী। প্রতি কেজি গাজর ও টমেটো ১২০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, ছোট করলা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা এবং শিম ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস কচু ৬০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ টাকা দরে। বরবটির দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের মতে, বৃষ্টির মৌসুমে সাধারণত কচুর লতি, কাঁকরোল, ঢ্যাঁড়স, পটল, ধুন্দল ও কচুর মুখির সরবরাহ বেশি থাকে এবং দাম কম হওয়ার কথা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সবজি বিক্রেতা আমির জানান, অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। বিক্রেতা মিজান এ পরিস্থিতির জন্য ঝড়-বৃষ্টি ও চাষাবাদ কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ছে বলে জানান তিনি।

সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস ও ডিমের দামও চড়া। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে বাইন মাছ ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছের দাম আকারভেদে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

নিত্যপণ্যের এই উচ্চমূল্য নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সবুজ আহমেদ বলেন, মাছ-মাংসের চড়া দামের পাশাপাশি সবজির দাম বেড়ে যাওয়া উদ্বেগের কারণ। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din