ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয়

মশক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কার্যক্রমের নির্দেশ ডিএসসিসি প্রশাসকের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মশাবাহিত রোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিংয়ের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিতকরণ ও ধ্বংস, মাঠপর্যায়ে কাজের নিবিড় তদারকি এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আন্তঃসমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেবল কীটনাশক ছিটিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা। সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির পর বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশামুক্ত ও সুস্থ নগরী গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩,৪৭৪.৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাজেদ সরদার বিপণী বিতান’ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য জনাব হামিদুর রহমান। ডিএসসিসির মার্কেট নির্মাণ সেল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি হবে ৭ তলা বিশিষ্ট এবং এর মোট আয়তন হবে ৪৫,৪৭৫ বর্গফুট। এই আধুনিক বিপণী বিতানে মোট ২৩৫টি দোকান থাকবে। প্রকল্পটির কাজ ২০২৮ সালের জুন মাসে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

মশক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কার্যক্রমের নির্দেশ ডিএসসিসি প্রশাসকের

আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মশাবাহিত রোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিংয়ের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারকরণ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় নগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিতকরণ ও ধ্বংস, মাঠপর্যায়ে কাজের নিবিড় তদারকি এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আন্তঃসমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেবল কীটনাশক ছিটিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা। সম্প্রতি ডিএসসিসি পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৬০ শতাংশ বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে যুক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির পর বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশামুক্ত ও সুস্থ নগরী গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩,৪৭৪.৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাজেদ সরদার বিপণী বিতান’ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য জনাব হামিদুর রহমান। ডিএসসিসির মার্কেট নির্মাণ সেল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি হবে ৭ তলা বিশিষ্ট এবং এর মোট আয়তন হবে ৪৫,৪৭৫ বর্গফুট। এই আধুনিক বিপণী বিতানে মোট ২৩৫টি দোকান থাকবে। প্রকল্পটির কাজ ২০২৮ সালের জুন মাসে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin