ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাংশায় দলীয় কোন্দলে বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুর

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

পাংশায় দলীয় কোন্দলে বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুর

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দলের আরেক পক্ষের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৮ টার দিকে উপজেলার মাছপাড়া বাজারে ইউনিয়ন যুবদল ও ছাত্রদলের (হারুন গ্রুপ) অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে মাছপাড়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের অন্ত কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। গত রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী মো: আশরাফুল ইসলাম (হারুন গ্রুপ) ও চেয়ারম্যান প্রার্থী (সাবু গ্রুপ) আশরাফুল ইসলাম মিয়ার নেতা-কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন গিয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মাছপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ও ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী মো: লুৎফর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষের (সাবু গ্রুপ) লোকজন হারুন ভাইয়ের ছবি থাকায় অফিস ভাঙচুর করেছে। তারা শুধু অফিসই ভাঙচুর করে নাই আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের ছবি ও ছিড়ে ফেলেছে। অফিসে ৫০ টি চেয়ারম্যান, দুইটি সাউন্ড বক্স, কম্পিউটার ও রাউটার ছিল। কিছু চেয়ার ভাঙচুর করেছে, বাকি জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী (হারুন গ্রুপ) মো: আশরাফুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম মিয়া ব্যক্তি কোন্দলের জের ধরে গত রাতে আমাদের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। আমি বিষয়টি উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি।

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম মিয়া (সাবু গ্রুপ) বলেন, বিএনপির অফিসের নাম করে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলেপেলে ওখানে বসে আড্ডা মারত। আর ওই অফিসে বসেই চাঁদাবাজি করতো। তাই আমার লোকজন ওই অফিস ভেঙে দিছে।

পাংশা মডেল থানার ওসি তদন্ত রাসেদুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় মাছপাড়া বাজারে বিএনপির দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থান এমন সংবাদে পুলিশ পাঠানো হয়।পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পাংশায় দলীয় কোন্দলে বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
print news

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দলের আরেক পক্ষের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৮ টার দিকে উপজেলার মাছপাড়া বাজারে ইউনিয়ন যুবদল ও ছাত্রদলের (হারুন গ্রুপ) অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে মাছপাড়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের অন্ত কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। গত রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী মো: আশরাফুল ইসলাম (হারুন গ্রুপ) ও চেয়ারম্যান প্রার্থী (সাবু গ্রুপ) আশরাফুল ইসলাম মিয়ার নেতা-কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এসময় চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন গিয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মাছপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ও ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী মো: লুৎফর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষের (সাবু গ্রুপ) লোকজন হারুন ভাইয়ের ছবি থাকায় অফিস ভাঙচুর করেছে। তারা শুধু অফিসই ভাঙচুর করে নাই আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের ছবি ও ছিড়ে ফেলেছে। অফিসে ৫০ টি চেয়ারম্যান, দুইটি সাউন্ড বক্স, কম্পিউটার ও রাউটার ছিল। কিছু চেয়ার ভাঙচুর করেছে, বাকি জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী (হারুন গ্রুপ) মো: আশরাফুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম মিয়া ব্যক্তি কোন্দলের জের ধরে গত রাতে আমাদের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। আমি বিষয়টি উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি।

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম মিয়া (সাবু গ্রুপ) বলেন, বিএনপির অফিসের নাম করে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলেপেলে ওখানে বসে আড্ডা মারত। আর ওই অফিসে বসেই চাঁদাবাজি করতো। তাই আমার লোকজন ওই অফিস ভেঙে দিছে।

পাংশা মডেল থানার ওসি তদন্ত রাসেদুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় মাছপাড়া বাজারে বিএনপির দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থান এমন সংবাদে পুলিশ পাঠানো হয়।পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী