‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’: রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানে জেলা প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভা এলাকার রাজশাহী জুটমিলে এক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নিয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বাড়াতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অভিযানে জেলা প্রশাসক নিজেই ঝাড়ু হাতে নিয়ে কাটাখালী পৌরসভার সামনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। তাঁর নেতৃত্বে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলগুলো চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয় এবং জমে থাকা পানি নিষ্কাশনসহ চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার করা হয়। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জমে থাকা পানি এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশই মূলত এডিস মশার বংশবৃদ্ধির সুযোগ করে দেয়। তাই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রত্যেকের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি।
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন মাসব্যাপী এই ডেঙ্গু নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার রাজশাহীর ৯টি উপজেলার ৭৮টি স্পটে একযোগে এই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
কাজী শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, "আমাদের স্বাস্থ্যনীতির মূল শক্তিই হলো প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে তা যেন না হয়, সেই প্রতিরোধ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।" সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কাটাখালী পৌরসভার সামনে আয়োজিত এই বিশেষ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী, সিনিয়র সহকারী কমিশনার অভিজিত সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কাটাখালী পৌরসভার প্রশাসক মেহেদী হাসান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আরিফ হোসেন এবং কাটাখালী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুম মুনীরাসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।



























