ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ

পাবনায় শিশু কলি হত্যায় দুই আসামি গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলনিয়া গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজের সাত দিন পর তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোস্তফা কামাল (৫৫) ও ইয়াছিন আলী (২১)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। ব্রিফিং শেষে গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে কারাগারে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কামাল প্রামাণিকের মেয়ে কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জেলা পুলিশের তথ্যমতে, মরদেহ উদ্ধারের সময় বস্তার ভেতর থেকে লাশ ডুবিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত ইটসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা কামাল ও ইয়াছিন আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে প্রথমে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। পরদিন রাতে বস্তাবন্দি মরদেহ একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। তদন্তে আরও জানা গেছে, স্থানীয়দের তৎপরতা ও বাড়ি বাড়ি তল্লাশির ঘোষণার পর অভিযুক্তরা মরদেহ অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখান থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মোস্তফা কামালের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল আলামত পাওয়া গেছে। নিখোঁজের দিন শিশুটির কয়েকটি ছবি ধারণ করা হয়েছিল, যা পরে মুছে ফেলা হলেও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এসব আলামত ঘটনার পূর্বপ্রস্তুতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে এবং তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় শিশু কলি হত্যায় দুই আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলনিয়া গ্রামের ১০ বছর বয়সী শিশু কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজের সাত দিন পর তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোস্তফা কামাল (৫৫) ও ইয়াছিন আলী (২১)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। ব্রিফিং শেষে গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে কারাগারে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কামাল প্রামাণিকের মেয়ে কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জেলা পুলিশের তথ্যমতে, মরদেহ উদ্ধারের সময় বস্তার ভেতর থেকে লাশ ডুবিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত ইটসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা কামাল ও ইয়াছিন আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে প্রথমে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। পরদিন রাতে বস্তাবন্দি মরদেহ একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। তদন্তে আরও জানা গেছে, স্থানীয়দের তৎপরতা ও বাড়ি বাড়ি তল্লাশির ঘোষণার পর অভিযুক্তরা মরদেহ অন্যত্র সরানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেখান থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মোস্তফা কামালের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল আলামত পাওয়া গেছে। নিখোঁজের দিন শিশুটির কয়েকটি ছবি ধারণ করা হয়েছিল, যা পরে মুছে ফেলা হলেও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এসব আলামত ঘটনার পূর্বপ্রস্তুতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় ১৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে এবং তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin