সিলেটে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর হুইপ জিকে গউছ
- আপডেট সময় : ০৩:৫৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি সিলেটের এমপি ও প্রশাসনের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা প্রদান করেন। অপরাধের নেপথ্যে মাদকের সম্পৃক্ততা উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনকে এ বিষয়ে অধিকতর সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বৈঠকে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল মাদকের ভয়াবহতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কীনব্রিজের কাছে র্যাব সদস্য হত্যা, মিতালী আবাসিক এলাকায় তিন খুন এবং শাহপরান এলাকায় ব্যবসায়ী খুনের মতো আলোচিত ঘটনাগুলোর পেছনে মাদকসেবীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এছাড়া ছিনতাই, রাহাজানি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের একটি বড় অংশ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। হুইপ জিকে গউছ জানান, সরকার মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। তিনি মাদক বিক্রির পাইকারি ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সমন্বয় সভায় সিলেট-২ আসনের এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের এমপি এমএ মালিক, সিলেট-৫ আসনের এমপি আবুল হাসান, সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী এবং সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সার ব্যবস্থাপনা, ফ্যামেলি কার্ডের তালিকা প্রণয়ন, আসন্ন দুর্গাপূজার নিরাপত্তা, বিদ্যুতের লোডশেডিং হ্রাস এবং উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সারের সংকট প্রসঙ্গে হুইপ জিকে গউছ বলেন, সিলেটে সারের কোনো ঘাটতি নেই। তবে সারের পাচার, মজুত ও কালোবাজারি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন।



























