জনগণকে সম্পৃক্ত করে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে দাবি আদায় করব: জামায়াত আমির
- আপডেট সময় : ০১:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

দেশের উন্নয়নে ধ্বংসাত্মক রাজনীতির পরিবর্তে জনগণকে সাথে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের ওপর জোর দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, হৈ-হুল্লোড়, ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগের মতো কোনো ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চায় না তার দল। প্রথম দফার কর্মসূচিগুলো নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল হওয়ায় জনগণের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত জামায়াতের এক দায়িত্বশীল সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের দেশ এখন ভালো নেই, এটি সবাইকে স্বীকার করতে হবে এবং সরকারও তা স্বীকার করতে বাধ্য। তিনি মনে করেন, একটি ভালো দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়, বরং বিরোধী দলেরও রয়েছে। উভয় পক্ষকে মিলেই দেশ গড়তে হবে। বর্তমানে দেশ মহাসংকটে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সংকটের কথা তুলে ধরেন।
জামায়াতে ইসলামী কোনো দলীয় এজেন্ডা নয়, বরং জনগণের ৬টি দাবি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় মাঠে নেমেছে বলে জানান দলটির আমির। তিনি বলেন, প্রথম দফায় বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করার পর গত ৫ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্য দিয়ে আমাদের দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নামায় জনগণের কোনো ক্ষতি করার প্রশ্নই আসে না। বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়া হবে এবং সরকার একসময় এসব দাবি বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথ বের করতে বাধ্য হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দেশের ও জাতির প্রয়োজনে সরকার সহযোগিতা চাইলে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সবসময় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকার সুযোগ দিলে বিরোধী দল হিসেবে ন্যায্য অবদান রাখার পক্ষে আমরা রয়েছি। তবে এই সহযোগিতা হবে চোখ খুলে এবং বিরোধিতা হবে সম্পূর্ণ ন্যায্যতার ভিত্তিতে।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির এবং সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান। এছাড়া এনসিপির জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান এবং শহর জামায়াতের আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।




























