ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইন প্রণয়নে বাধা দিতেই বিরোধী দলের পরিকল্পিত ওয়াকআউট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থী ফাতেমার স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাগই ওনাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছে: আবদুল্লাহ তাহের রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজে এসএসসি ২০২৬ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা রাশিয়ার গ্যাস কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণ: নিহত ১ বাংলাদেশি কানাডায় বাংলাদেশি সিনেমায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ঢাকার মঞ্চ মাতাতে আসছেন সেই ভাইরাল গানের ওটিলিয়া কলকাতা বইমেলার সুবর্ণজয়ন্তী: যুক্ত হচ্ছে ইজেডসিসি ও বুক ট্রাস্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব ড. হারুনুর রশিদ আর নেই

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দুই আসামির ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্ট করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ কমিশনার জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা হবে। এর পাশাপাশি তাদের ডোপ টেস্টও সম্পন্ন করা হবে। বর্তমানে আসামিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দি এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই-বাছাই করে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের তথ্যানুযায়ী, নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধ বা গলায় ফাঁস দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

আসামিরা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভোরে তারা বাড়ির ছাদে ছিলেন এবং ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এ সময় গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখে ফেললে তারা ভয় পেয়ে যান এবং তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর তারা প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়েকেও একই কায়দায় হত্যা করেন। জবানবন্দিতে আসামিরা আরও জানান, শিশুটি সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার পর তারা এটিকে চুরি বা ডাকাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালায় এবং বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের জবানবন্দি ও ময়নাতদন্তের তথ্যে মিল পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার নেপথ্যের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দুই আসামির ডিএনএ ও ডোপ টেস্ট হবে

আপডেট সময় : ০৩:১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্ট করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ কমিশনার জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা হবে। এর পাশাপাশি তাদের ডোপ টেস্টও সম্পন্ন করা হবে। বর্তমানে আসামিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দি এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই-বাছাই করে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের তথ্যানুযায়ী, নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধ বা গলায় ফাঁস দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

আসামিরা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ভোরে তারা বাড়ির ছাদে ছিলেন এবং ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এ সময় গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখে ফেললে তারা ভয় পেয়ে যান এবং তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর তারা প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তার মেয়েকেও একই কায়দায় হত্যা করেন। জবানবন্দিতে আসামিরা আরও জানান, শিশুটি সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার পর তারা এটিকে চুরি বা ডাকাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালায় এবং বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের জবানবন্দি ও ময়নাতদন্তের তথ্যে মিল পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার নেপথ্যের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin