ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায়

জাজিরায় জামায়াতের অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, সাংবাদিককে মারধর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা মডেল মসজিদ মাঠে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর একটি কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াত তাদের পূর্বনির্ধারিত গণমিছিলের জন্য নেতাকর্মীদের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় স্থানীয় টিএন্ডটি মোড় এলাকা থেকে আসা বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা হঠাৎ মসজিদ এলাকায় প্রবেশ করে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক জুয়েল মিয়াকেও মারধর করেন হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রব হাসেমী হামলার জন্য পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলনকে দায়ী করে বলেন, প্রশাসনকে জানিয়েই তারা কর্মসূচি পালন করছিলেন। তিনি এটিকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান হিসেবে অভিহিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান। তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন। তিনি মিছিলের সামনের সারিতে থাকার কথা দাবি করে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের আহ্বান জানান এবং হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন। জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বজলুর রশিদ শিকদার জানান, তিনি উপজেলা চত্বরে ছিলেন এবং জামায়াতের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক জুয়েল মিয়ার প্রতিবেদনের কারণেও কোনো ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীন রবিন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে তথ্য পাওয়ার অধিকারের ওপর আঘাত। তিনি অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ও সাংবাদিককে মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জাজিরায় জামায়াতের অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলা, সাংবাদিককে মারধর

আপডেট সময় : ০১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা মডেল মসজিদ মাঠে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর একটি কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াত তাদের পূর্বনির্ধারিত গণমিছিলের জন্য নেতাকর্মীদের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় স্থানীয় টিএন্ডটি মোড় এলাকা থেকে আসা বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা হঠাৎ মসজিদ এলাকায় প্রবেশ করে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক জুয়েল মিয়াকেও মারধর করেন হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রব হাসেমী হামলার জন্য পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলনকে দায়ী করে বলেন, প্রশাসনকে জানিয়েই তারা কর্মসূচি পালন করছিলেন। তিনি এটিকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান হিসেবে অভিহিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান। তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন। তিনি মিছিলের সামনের সারিতে থাকার কথা দাবি করে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের আহ্বান জানান এবং হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন। জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বজলুর রশিদ শিকদার জানান, তিনি উপজেলা চত্বরে ছিলেন এবং জামায়াতের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক জুয়েল মিয়ার প্রতিবেদনের কারণেও কোনো ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীন রবিন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে তথ্য পাওয়ার অধিকারের ওপর আঘাত। তিনি অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ও সাংবাদিককে মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin