ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাজমিন হত্যা: কক্সবাজারের হোটেলকর্মী রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা স্বাধীন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও ‘প্রজাতন্ত্র’ ধারণার ঐতিহাসিক পর্যালোচনা নিলয়-হিমির ‘প্রথম প্রেমের গল্প’ পাকিস্তানি নাটকের নকল: অভিযোগ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট ব্যাহত, চরম ভোগান্তিতে সাড়ে ১৬ হাজার যাত্রী জুলাই জাতীয় সনদের এক বছর: রাজনৈতিক সমঝোতায় এখনো রয়ে গেছে মতপার্থক্য নোয়াখালীর সেনবাগে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বাংলাদেশ ফুটবল লিগে মোহামেডান ও কিংসের জয়যাত্রা অব্যাহত বিএনপির অঙ্গসংগঠন পুনর্গঠনে ক্লিন ইমেজের নেতৃত্বের খোঁজে হাইকমান্ড রাজবাড়ীতে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, মিলছে না যোগ্যতার কাজ

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া পৌরসভার হাউজিং ই-ব্লক এলাকায় ভাগার থেকে গতকাল (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখা খাতুন (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী মরদেহ উদ্ধার করে মডেল থানা পুলিশ। প্রেম করে দু-পরিবারের সম্মতিতে গত মাসের ১৮ নভেম্বর বিয়ে হয় সাতক্ষীরার হাফিজুর রহমানের সাথে রেখার। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় রেখাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের।

কুষ্টিয়ার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ফেলে রেখে যাই খুনিরা। তবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

নিহত রেখা কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছোটো মেয়ে কুমারখালী মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

নিহত রেখার বাবা আব্দুর রহিম বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় রেখা বিকেল গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না আসায় আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ করে পাওয়া যাইনি। সন্ধ্যায় জানতে পারেন হাউজিং এলাকায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখার লাশ পাওয়া গেছে। পড়ে সদর হাসপাতালের মর্গে থেকে তার মেয়ের লাশ তিনি সনাক্ত করেন।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, প্রেমের বিয়েতে রাজি ছিলেন না তার বড় জামাই আওলাদ তার পরেও পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ে দেওয়া হলে বড় জামাই খুব রাগান্বিত হয়ে রেখাকে বকাঝকা করে। এখন কিসের থেকে কি হয়ে গেল আল্লাহ ভালো জানেন।

এবিষয়ে কথা হয় নিহতের দুলাভাই অভিযুক্ত আওলাদ হোসেনের সাথে তিনি বলেন, রেখা ফোনে মেহেদী ও হাফিজুরসহ বিভিন্ন ছেলেদের সাথে কথা বলতো বলে আমি রাগারাগী করতাম। এছাড়া ওর বিয়ের বিপক্ষে বা বিরোধিতা করেছি এমন অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি তার।

কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে।

কুষ্টিয়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা বলেন, বুধবার রাতে হাউজিং এলাকায় কম্বল মোড়ানো এক নারীর মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটি একটি হত্যাকান্ড। এঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেইনি। তবে যারাই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাক তাদের গ্রেফতার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া পৌরসভার হাউজিং ই-ব্লক এলাকায় ভাগার থেকে গতকাল (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখা খাতুন (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী মরদেহ উদ্ধার করে মডেল থানা পুলিশ। প্রেম করে দু-পরিবারের সম্মতিতে গত মাসের ১৮ নভেম্বর বিয়ে হয় সাতক্ষীরার হাফিজুর রহমানের সাথে রেখার। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় রেখাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের।

কুষ্টিয়ার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ফেলে রেখে যাই খুনিরা। তবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

নিহত রেখা কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছোটো মেয়ে কুমারখালী মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

নিহত রেখার বাবা আব্দুর রহিম বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় রেখা বিকেল গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না আসায় আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ করে পাওয়া যাইনি। সন্ধ্যায় জানতে পারেন হাউজিং এলাকায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখার লাশ পাওয়া গেছে। পড়ে সদর হাসপাতালের মর্গে থেকে তার মেয়ের লাশ তিনি সনাক্ত করেন।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, প্রেমের বিয়েতে রাজি ছিলেন না তার বড় জামাই আওলাদ তার পরেও পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ে দেওয়া হলে বড় জামাই খুব রাগান্বিত হয়ে রেখাকে বকাঝকা করে। এখন কিসের থেকে কি হয়ে গেল আল্লাহ ভালো জানেন।

এবিষয়ে কথা হয় নিহতের দুলাভাই অভিযুক্ত আওলাদ হোসেনের সাথে তিনি বলেন, রেখা ফোনে মেহেদী ও হাফিজুরসহ বিভিন্ন ছেলেদের সাথে কথা বলতো বলে আমি রাগারাগী করতাম। এছাড়া ওর বিয়ের বিপক্ষে বা বিরোধিতা করেছি এমন অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি তার।

কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে।

কুষ্টিয়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা বলেন, বুধবার রাতে হাউজিং এলাকায় কম্বল মোড়ানো এক নারীর মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটি একটি হত্যাকান্ড। এঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেইনি। তবে যারাই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাক তাদের গ্রেফতার করা হবে।