বিএনপির অঙ্গসংগঠন পুনর্গঠনে ক্লিন ইমেজের নেতৃত্বের খোঁজে হাইকমান্ড
- আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতায় আসার পরপরই বিএনপি তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার পর জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল এবং ছাত্রদলের নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে দলের হাইকমান্ড। নতুন কমিটির আশায় এই চার সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে বর্তমানে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে আছে।
কমিটি পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ব্যতীত বাকি সবাই সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে হাইকমান্ড নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছাত্রদলের ক্ষেত্রেও একই বার্তা এসেছে; শীর্ষ নেতাদের ডেকে নতুন কমিটি দেয়ার কথা জানানো হয়েছিল। ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এরপর দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেও তিন মাস পার হলেও নতুন কমিটি এখনো গঠিত হয়নি।
সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, যুবদল এবং ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এই বিলম্বের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব খোঁজার বিষয়টি। দলের হাইকমান্ড তরুণ, মেধাবী এবং সংগঠনের জন্য ইতিবাচক ভাবমূর্তি বজায় রাখা নেতাদেরই নতুন কমিটিতে মূল্যায়ন করতে চায়। এর পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাদেরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৫ই আগস্টের পর দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলের যে অভিযোগ উঠেছিল, তার প্রেক্ষিতে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
এদিকে দলের সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এই বছর তা হচ্ছে না। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, কাউন্সিলের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে খুব দ্রুতই এটি অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে কাউন্সিল হতে পারে। জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের শূন্য পদগুলো পূরণের সিদ্ধান্ত হলেও কাউন্সিলের বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে এবার কাউন্সিল থেকে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি, যা প্রচলিত ধারা থেকে ভিন্ন হবে।





























