ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে: এসআরবি ডিজি যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের অনীহাই বড় বাধা: ক্রেমলিন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও কমিটি গঠন স্থগিত লালমোহনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের সচেতনতামূলক প্রচারণা যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে গ্রেপ্তার ৫ শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি, শনিবার খোলা ব্যাংক সরকারি বাসা বরাদ্দ এখন অনলাইনে, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ সৌদি আরবের অধিকাংশ আকাশসীমা ও বিমানবন্দর ‘অনিরাপদ’: হুথি মুখপাত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত সাজেক যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশ

গৃহকর্মীকে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা, খুলনায় পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র।

বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানালা দিয়ে দেখতে পান, গরম কড়াই দিয়ে মেয়েটির মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় ভুক্তভোগী যন্ত্রণায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী পপি মিত্র ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালান। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো আঘাতের চিহ্নও পরিলক্ষিত হয়েছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে ভুক্তভোগীর মা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

গৃহকর্মীকে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা, খুলনায় পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র।

বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানালা দিয়ে দেখতে পান, গরম কড়াই দিয়ে মেয়েটির মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় ভুক্তভোগী যন্ত্রণায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী পপি মিত্র ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালান। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো আঘাতের চিহ্নও পরিলক্ষিত হয়েছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে ভুক্তভোগীর মা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din