ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাধবদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫ লাখ ২ হাজার টাকা জরিমানা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহে এনসিডি কর্নারে ওষুধ সংকট, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কাশ্মীরে সিআইএসএফ’র গুলিতে অফিসারসহ নিহত ৪ দুই দশক পর ইরাক থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত, গ্রেপ্তার ১ যৌতুক প্রথা নিয়ে কোনাল-রাফসান ও বুলবুলের নতুন গান উচ্চকক্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়ে বিশেষ কমিটিতে ভিন্নমত ইউপিএলের শোরুমে হামলা ও কর্মীদের হয়রানির ঘটনায় ৩৬ বিশিষ্ট নাগরিকের নিন্দা মাঠে অদ্ভূতকাণ্ড: প্রতিপক্ষের চুল ধরে টানায় ২ লাল কার্ড

উত্তাল ঢেউ ঠেকাবে মাতারবাড়ির বন্দরের ব্রেকওয়াটার

মফিজুর রহমান, মহেশখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

উত্তাল ঢেউ ঠেকাবে মাতারবাড়ির বন্দরের ব্রেকওয়াটার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




বঙ্গোপসাগরের জলরাশির উত্তাল ঢেউ থেকে দেশের সম্ভবনাময় অর্থনৈতিক রিজিওনাল হাব মাতারবাড়ি বন্দরকে রক্ষা করতে প্রকল্পের অধীনে দেশের প্রথম ব্রেকওয়াটার (ঢেউ প্রতিরোধ বাঁধ) নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে এ বন্দরের জেটিতে ভিড়া মাদার ভেসেলগুলো নিরাপদ থাকবে, ঢেউয়ে দুলবে না। নির্বিঘ্নে করা যাবে পণ্য খালাস। আগামি ২০২৬ সালে প্রবেশ করতে যাচ্ছে মেরিটাইম সেক্টরে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দরের যাত্রা। এ লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার লম্বা অ্যাপ্রোচ চ্যানেল ও দুটি জেটি। চ্যানেলের উত্তর দিকে ২ হাজার ১৫০ মিটার এবং দক্ষিণে ৬৭০ মিটার লম্বা ব্রেকওয়াটার তৈরি করা হয়েছে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পাথরের ব্লক ফেলে তৈরি করা হয়েছে এটি।

মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে ইতোমধ্যে দুটি জেটিতে ভিড়েছে শতাধিক জাহাজ। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল আমদানির জন্য ওই এলাকায় দুটি জেটি নির্মাণ করা হয়। জলরাশি শান্ত, স্থির রাখা, পলি জমে চ্যানেল ভরাট হওয়ার ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে মূলত ব্রেকওয়াটার তৈরি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে জাহাজগুলো গড়ে ২ হাজার টিইইউস কনটেইনার বহন করে, অথচ মাতারবাড়ি বন্দরের জেটিতে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টিইইউস কনটেইনারবাহী জাহাজ প্রবেশ করতে পারবে।  সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের এক অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ঘোষণা দেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গত ২২ জানুয়ারি পরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সদস্যরা প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে একই তথ্য জানান।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের সাথে যুক্ত বন্দর কর্মকর্তারা জানান, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে দরপত্র খোলা হয়েছে। শীঘ্রই ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে শুরু হবে জেটি নির্মাণ কাজ। মাতারবাড়ি টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হবে আগামী মার্চে। মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাইকার ঋণ ১২,৮৯২ কোটি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল ২ হাজার ২১৩ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকারের ২,৬৭১ কোটি টাকা। প্রকল্প নির্মাণের মেয়াদ ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

উত্তাল ঢেউ ঠেকাবে মাতারবাড়ির বন্দরের ব্রেকওয়াটার

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বঙ্গোপসাগরের জলরাশির উত্তাল ঢেউ থেকে দেশের সম্ভবনাময় অর্থনৈতিক রিজিওনাল হাব মাতারবাড়ি বন্দরকে রক্ষা করতে প্রকল্পের অধীনে দেশের প্রথম ব্রেকওয়াটার (ঢেউ প্রতিরোধ বাঁধ) নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে এ বন্দরের জেটিতে ভিড়া মাদার ভেসেলগুলো নিরাপদ থাকবে, ঢেউয়ে দুলবে না। নির্বিঘ্নে করা যাবে পণ্য খালাস। আগামি ২০২৬ সালে প্রবেশ করতে যাচ্ছে মেরিটাইম সেক্টরে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দরের যাত্রা। এ লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার লম্বা অ্যাপ্রোচ চ্যানেল ও দুটি জেটি। চ্যানেলের উত্তর দিকে ২ হাজার ১৫০ মিটার এবং দক্ষিণে ৬৭০ মিটার লম্বা ব্রেকওয়াটার তৈরি করা হয়েছে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পাথরের ব্লক ফেলে তৈরি করা হয়েছে এটি।

মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে ইতোমধ্যে দুটি জেটিতে ভিড়েছে শতাধিক জাহাজ। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল আমদানির জন্য ওই এলাকায় দুটি জেটি নির্মাণ করা হয়। জলরাশি শান্ত, স্থির রাখা, পলি জমে চ্যানেল ভরাট হওয়ার ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে মূলত ব্রেকওয়াটার তৈরি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে জাহাজগুলো গড়ে ২ হাজার টিইইউস কনটেইনার বহন করে, অথচ মাতারবাড়ি বন্দরের জেটিতে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টিইইউস কনটেইনারবাহী জাহাজ প্রবেশ করতে পারবে।  সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের এক অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ঘোষণা দেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গত ২২ জানুয়ারি পরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সদস্যরা প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে একই তথ্য জানান।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের সাথে যুক্ত বন্দর কর্মকর্তারা জানান, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে দরপত্র খোলা হয়েছে। শীঘ্রই ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে শুরু হবে জেটি নির্মাণ কাজ। মাতারবাড়ি টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হবে আগামী মার্চে। মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাইকার ঋণ ১২,৮৯২ কোটি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল ২ হাজার ২১৩ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকারের ২,৬৭১ কোটি টাকা। প্রকল্প নির্মাণের মেয়াদ ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত।