ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লায় স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ ফুলগাজীতে ১ কোটি ৩ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি রফিকুল আলম মজনু সুন্দরবনে গোলা-বারুদ সহ কুখ্যাত ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য‌ আটক মুন্সীগঞ্জে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা ও হেরোইন পরশুরামে ঘটনা তদন্তে কমিটি কমিউনিটির ক্লিনিকের ঔষুধ মিলল সড়কে দীর্ঘদিনের অবহেলায় পড়ে থাকা রাস্তা সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধ সিলেটে একসঙ্গে ১২৬ তরুণ-তরুণীর বিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি এবার আগুন নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে বিজিবি সদস্যরা

মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে জঙ্গীবাদী কায়দায় মসজিদের ভিতরে ২ সহদরের উপর হামলা।

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪ ২১৪ বার পড়া হয়েছে

মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে জঙ্গীবাদী কায়দায় মসজিদের ভিতরে ২ সহদরের উপর হামলা।

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈমামকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দুই সহদর। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে তাদের স্বজনরা। শনিবার রাত ৭ টার দিকে মাগরিবের নামাজ আদায় করে মসজিদের ভিতর অবস্থান করছিলেন পাড়ামৌলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই শহিদ মিয়া।একই গ্রামের আবুল হাশেমের পুত্র খোকন (২৮) ও তার চাচা মাহবুব (৪০) পূর্ব ঘটনার জের ধরে মসজিদে প্রবেশ করে দুই সহদরের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরই এক পর্যায়ে খোকন ও তার চাচা মাহবুব অতর্কিতভাবে মসজিদের ভিতরেই শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়ার উপর হামলা করেন।আশপাশের মুসল্লিরা এগিয়ে এসেও তাদের হামলা থেকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় গুরুতর আহত দুই ভাইকে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে একজন কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক ভাই শহিদ মিয়ার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মসজিদের ভিতরে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১জন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলাকারী খোকন একজন উগ্রবাদী ও বদমেজাজী টাইপের ছেলে। এলাকার কাউকেই সম্মান দিতে জানেনা। কয়েকমাস পূর্বে তার বাবা ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ওয়াক্তিয়া ইমাম ছিলেন,কিন্তু একজন ইমাম হিসাবে সবার নিকট গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তাকে মসজিদের ইমাম থেকে বাদ দেওয়া হয়। আর তাকে বাদ দেওয়ার পিছনে বেশী ভূমিকা পালন করেন শহিদ মিয়া ও শরিফুল ইসলাম। তখন থেকে বাবার অপমানের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে থাকেন উগ্রবাদী বদ মেজাজী খোকন। তিনি আরও জানান এই উগ্রবাদী বদমেজাজী ছেলের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর আইনী ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেন। পরে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রায়হানুল ইসলাম খোকন ও মাহাবুবুর রহমান কে প্রধান আসামি করে শনিবার রাতে রাজারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে মাহবুব রহমান জানান , শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়া, আমার ভাতিজাকে মারধোর করছে আমি আগাইতে গেলে আমিও হামলা শিকার হই। এখন দেখি আমার নামেই অভিযোগ করেছে। সমস্যা নেই দেখা যাক কি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে জঙ্গীবাদী কায়দায় মসজিদের ভিতরে ২ সহদরের উপর হামলা।

আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈমামকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দুই সহদর। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে তাদের স্বজনরা। শনিবার রাত ৭ টার দিকে মাগরিবের নামাজ আদায় করে মসজিদের ভিতর অবস্থান করছিলেন পাড়ামৌলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই শহিদ মিয়া।একই গ্রামের আবুল হাশেমের পুত্র খোকন (২৮) ও তার চাচা মাহবুব (৪০) পূর্ব ঘটনার জের ধরে মসজিদে প্রবেশ করে দুই সহদরের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরই এক পর্যায়ে খোকন ও তার চাচা মাহবুব অতর্কিতভাবে মসজিদের ভিতরেই শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়ার উপর হামলা করেন।আশপাশের মুসল্লিরা এগিয়ে এসেও তাদের হামলা থেকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় গুরুতর আহত দুই ভাইকে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে একজন কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক ভাই শহিদ মিয়ার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মসজিদের ভিতরে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১জন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলাকারী খোকন একজন উগ্রবাদী ও বদমেজাজী টাইপের ছেলে। এলাকার কাউকেই সম্মান দিতে জানেনা। কয়েকমাস পূর্বে তার বাবা ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ওয়াক্তিয়া ইমাম ছিলেন,কিন্তু একজন ইমাম হিসাবে সবার নিকট গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তাকে মসজিদের ইমাম থেকে বাদ দেওয়া হয়। আর তাকে বাদ দেওয়ার পিছনে বেশী ভূমিকা পালন করেন শহিদ মিয়া ও শরিফুল ইসলাম। তখন থেকে বাবার অপমানের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে থাকেন উগ্রবাদী বদ মেজাজী খোকন। তিনি আরও জানান এই উগ্রবাদী বদমেজাজী ছেলের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর আইনী ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেন। পরে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রায়হানুল ইসলাম খোকন ও মাহাবুবুর রহমান কে প্রধান আসামি করে শনিবার রাতে রাজারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে মাহবুব রহমান জানান , শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়া, আমার ভাতিজাকে মারধোর করছে আমি আগাইতে গেলে আমিও হামলা শিকার হই। এখন দেখি আমার নামেই অভিযোগ করেছে। সমস্যা নেই দেখা যাক কি হয়।