গাজীপুরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দাপট, আতঙ্কে পরিবার
- আপডেট সময় : ১০:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

ফখরুল আলম সাজু
গাজীপুরের এরশাদ নগর এলাকায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম কামু (৫৫), যিনি বর্তমানে নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন, তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে আসছেন, যেখানে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যের সহযোগিতার কথাও উঠে এসেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ এপ্রিল বুধবার বিকেলে। অভিযোগ অনুযায়ী, কামু তার সংঘবদ্ধ বাহিনী নিয়ে একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ ওমর আলী কাজীর বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন, একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির জেরে তিনি ওমর আলী কাজীর ওপর ছুরি দিয়ে হামলা চালান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কামু তাদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। বিশেষ করে, তিনি প্রায়ই ওমর আলী কাজীর ছেলে মোঃ কামাল হোসেনকে খুঁজে বেড়াতেন এবং তাকে হত্যার হুমকি দিতেন, কামুর সহযোগী হিসেবে গুন্ডা, জলিল গাজী ও শফিকুলের নাম উল্লেখ করে তারা জানান, এই দলটি সংঘবদ্ধভাবে এলাকায় চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
ভুক্তভোগী ওমর আলী কাজীর স্ত্রী বলেন, “প্রায়ই তারা আমাদের বাসায় এসে চাঁদা দাবি করে এবং আমাদেরকে চচ হত্যার হুমকি দেয়, ঘটনার দিন বিকেলে কামু এসে আমাদের সবাইকে হুমকি দেয় এবং আমার স্বামী ওমর আলি কাজীচকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়, যাওয়ার সময় বলে যায়—‘পরেরবার আর বাঁচিয়ে রাখবো না কাউকে, কামাল পালিয়ে বাচতে পারবে না।
চপরিবারের আরও অভিযোগ, থানায় মামলা চচকরতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ চকর্মকর্তা লিখিত অভিযোগ নিতে চচঅস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো বিষয়টি মীমাংসা করে নেওয়ার পরামর্শ দেন, এতে করে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কামু দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন, ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের নজিরও রয়েছে।
বর্তমানে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে, ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয়রা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের আক্ষেপ, “এই দেশে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আইন কি শুধু প্রভাবশালীদের জন্যই।





















