ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকাতে বৃষ্টির মধ্যেও রাজপথে অনড়, টিটি পাড়ায় টি আই ওবায়দুল ও তার দলের ট্রাফিক সেবা, প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধারণ মানুষ যাত্রাবাড়ী থেকে ২ শিশু উদ্ধার, শিশুরা তাদের পরিচয় বলতে পারছে না সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতাকে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে ডিবির চিরুনি অভিযান ইয়াবা সহ গ্রেফতার-৩ আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য, ভোলার যে বাজারে চলে এখনো খাজনা মুক্ত পশু বেচাকেনা পশু বেশি ক্রেতা কম রাঙ্গামাটির কোরবানির হাটে বিক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি নবাবপুরে মেম্বার প্রার্থী আবুল কালাম শেখ ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ যশোর সদর উপজেলার জুবায়ের আহমেদ বাঁচতে চাই ৩য় পর্ব: ইসলাম, পর্দা ও নারীর নিরাপত্তা: আমরা কি সত্যিই বুঝতে পেরেছি?

ঢাকা জেলার অধীনে গাউসুল আজম মার্কেটে সমবায় অধিদপ্তরের তদন্তে গণমাধ্যমের বাধাপ্রাপ্তি, জনস্বার্থের তথ্য সংরক্ষণে শঙ্কা

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর ঢাকা নীলক্ষেতস্থ গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে সমবায় অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার অধীনে তদন্তকারী দলের চলমান কার্যক্রমে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ফলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উক্ত তদন্তকারী দল মার্কেটে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও জালিয়াতির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য উপস্থিত ছিলেন দৈনিক একুশে সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মো: আশরাফুল হাসান টুটুলসহ অন্যান্য সাংবাদিক।

তদন্ত চলাকালে অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। তবে একই সময়ে অন্যান্য সাধারণ ব্যক্তিদের সেখানে অবস্থান করতে দেওয়া হলেও গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা এই আচরণকে বৈষম্যমূলক হিসেবে দেখছেন।
সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের উপস্থিতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়ায় তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালায় সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কোনো সুস্পষ্ট বিধান নেই। বরং সমবায় অধিদপ্তরের নাগরিক সনদ অনুযায়ী কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই গণমাধ্যমকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।

এই ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তদন্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঢাকা জেলার অধীনে গাউসুল আজম মার্কেটে সমবায় অধিদপ্তরের তদন্তে গণমাধ্যমের বাধাপ্রাপ্তি, জনস্বার্থের তথ্য সংরক্ষণে শঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানীর ঢাকা নীলক্ষেতস্থ গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে সমবায় অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার অধীনে তদন্তকারী দলের চলমান কার্যক্রমে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ফলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উক্ত তদন্তকারী দল মার্কেটে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও জালিয়াতির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য উপস্থিত ছিলেন দৈনিক একুশে সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার মো: আশরাফুল হাসান টুটুলসহ অন্যান্য সাংবাদিক।

তদন্ত চলাকালে অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। তবে একই সময়ে অন্যান্য সাধারণ ব্যক্তিদের সেখানে অবস্থান করতে দেওয়া হলেও গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা এই আচরণকে বৈষম্যমূলক হিসেবে দেখছেন।
সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের উপস্থিতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়ায় তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালায় সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কোনো সুস্পষ্ট বিধান নেই। বরং সমবায় অধিদপ্তরের নাগরিক সনদ অনুযায়ী কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই গণমাধ্যমকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।

এই ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তদন্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।