সাতক্ষীরার ১ তরুণীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা
- আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

ফখরুল আলম সাজু
সাতক্ষীরা জেলা কালিগঞ্জ উপজেলার নারানপুর এলাকায় ১ তরুণীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে কথিত অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা, এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।
২৪ মে রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, পরে ২ যুবককে আটক করে কালিগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাদঘাটা গ্রামের গৌরপদ মণ্ডলের ছেলে চিরজিত এবং খানপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম।
ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী রুপা আক্তার বর্তমানে কয়রা উপজেলার প্রভাস মণ্ডলের কন্যা অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন, বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৪ মে রবিবার সকালে ১টি প্রাইভেটকারে করে কয়েকজন ব্যক্তি নারানপুর এলাকায় আসে, পরে তারা ১ তরুণীকে জোর পূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়, এ সময় ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গাড়িটির গতিরোধ করে আটক করেন, পরে ২ যুবককে আটক করা হলেও গাড়িতে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের আচরণ শুরু থেকেই সন্দেহ জনক ছিল, স্থানীয়রা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলতে থাকে, ১ পর্যায়ে তরুণীকে অপহরণের চেষ্টার বিষয়টি প্রকাশ পেলে উত্তেজিত জনতা তাদের আটক করে রাখে এবং পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ পৌঁছে আটক ২ ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেন, একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়, জব্দকৃত গাড়িটি বর্তমানে থানায় রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় অপরাধ চক্রের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ছে, বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তারা আরো জানান, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

























