ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিট ভারতে ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে ট্রাম্পকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করে বিব্রত নতুন প্রেস সচিব কেটি জ্যাকারিয়া তারেক রহমান সরকারের মেয়াদের মাঝামাঝি: সম্ভাবনা ও নীতিগত অগ্রাধিকার তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান প্রেসিডেন্টের ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনায় আসছে পরিবর্তন ইউনূসকে হেনস্তা কেবল শুরু, মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতার টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে বিশেষ অবদান, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন মিরসরাইয়ের উম্মে হাবিবা টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট

মনোহরদীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ নারী জন্ম দিল সন্তান, কারাগারে প্রতিবেশি বৃদ্ধ

মো.এমরুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি,নরসিংদীঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

মনোহরদীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ নারী জন্ম দিল সন্তান, কারাগারে প্রতিবেশি বৃদ্ধ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




মো.এমরুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি,নরসিংদীঃ

নরসিংদীর মনোহরদীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ নারী জন্ম সন্তান দেয়ার ঘটনায় তার প্রতিবেশী দাদাকে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার।

অভিযুক্ত রহমান মিয়া (৫৮) মনোহরদী উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের নারান্দী গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি স্থানীয় বাজারে ভাঙ্গারী মালের ব্যবসায়ী। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

বুধবার রাতে ভুক্তভোগীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে মনোহরদী থানা পুলিশ।
জানা যায়, ভুক্তভোগীর মা একজন ভিক্ষুক এবং বাবা কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী নারীর (১৮) বিয়ে হয় চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দেওনা এলাকার রাকিবুল হাসানের সঙ্গে। বিয়ের মাত্র এক মাস পরই শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানতে পারেন মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করে সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হয় তারা । অভিযোগে আরও বলা হয়, সাত মাস আগে এক দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশি সম্পর্কে দাদা আব্দুর রহমান জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি গোপন রাখতে নানা ভয়ভীতিও দেখান তিনি।

বিয়ের পর ঘটনাটি প্রকাশ পেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের আয়োজন করা হলেও অভিযুক্ত রহমান মিয়া দায় স্বীকার করেননি এবং মেয়েটিকে বিয়েতে সম্মত হননি। এদিকে, গত ১৬ জুন ভুক্তভোগী নারী এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয় যে,গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় কিন্তু সমাধান হয়নি।

এ বিষয়ে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন,“মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট করা হবে। জন্ম নেয়া শিশুটির পিতৃ পরিচয় ডিএনএ টেস্ট এর মাধ্যমে প্রমাণ মিলবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রহমান মিয়া ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মনোহরদীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ নারী জন্ম দিল সন্তান, কারাগারে প্রতিবেশি বৃদ্ধ

আপডেট সময় : ১১:৫০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

মো.এমরুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি,নরসিংদীঃ

নরসিংদীর মনোহরদীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ নারী জন্ম সন্তান দেয়ার ঘটনায় তার প্রতিবেশী দাদাকে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার।

অভিযুক্ত রহমান মিয়া (৫৮) মনোহরদী উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের নারান্দী গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি স্থানীয় বাজারে ভাঙ্গারী মালের ব্যবসায়ী। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

বুধবার রাতে ভুক্তভোগীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে মনোহরদী থানা পুলিশ।
জানা যায়, ভুক্তভোগীর মা একজন ভিক্ষুক এবং বাবা কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী নারীর (১৮) বিয়ে হয় চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দেওনা এলাকার রাকিবুল হাসানের সঙ্গে। বিয়ের মাত্র এক মাস পরই শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানতে পারেন মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করে সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হয় তারা । অভিযোগে আরও বলা হয়, সাত মাস আগে এক দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশি সম্পর্কে দাদা আব্দুর রহমান জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি গোপন রাখতে নানা ভয়ভীতিও দেখান তিনি।

বিয়ের পর ঘটনাটি প্রকাশ পেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের আয়োজন করা হলেও অভিযুক্ত রহমান মিয়া দায় স্বীকার করেননি এবং মেয়েটিকে বিয়েতে সম্মত হননি। এদিকে, গত ১৬ জুন ভুক্তভোগী নারী এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয় যে,গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় কিন্তু সমাধান হয়নি।

এ বিষয়ে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন,“মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট করা হবে। জন্ম নেয়া শিশুটির পিতৃ পরিচয় ডিএনএ টেস্ট এর মাধ্যমে প্রমাণ মিলবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রহমান মিয়া ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।