নির্বাচনের জন্য যে দুই সময়কে উপযুক্ত মনে করে জামায়াত ডা.শফিকুর রহমান
- আপডেট সময় : ১১:০০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

আরিফুর রহমান তীব্র,ডবলমুড়িং থানা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সরব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান।দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও আবহাওয়া কথা বিবেচনা করে তিনি আগামী ফেব্রুয়ারী অথবা এপ্রিলের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (৩মে) সকালে ঢাকার মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা ও মহানগরী আমির সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন,ফেব্রুয়ারীর শেষ এবং মার্চের বেশিরভাগ সময় রমজান মাস থাকায় তখন নির্বাচনের আয়োজন করা সম্ভব নয়।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন,সরকার যদি আন্তরিকভাবে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেয় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সহযোগিতা করে,তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন,আমাদেরকে এখন ফ্যাসিবাদীদের পতন নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। দু:খজনক ইতিহাসে জাতি হিসেবে আমরা এখনো ইতি টানতে পারিনি।
ডা.শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন,২০১১ সালের এপ্রিলের পর জামায়াতে ইসলামী এমন একটি বৃহৎ সম্মেলনে একএিত হওয়ার সুযোগ পায়নি।
তিনি অভিযোগ করেন,২০০৯ সাল ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পযন্ত আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীরা দেশ শাসন ও শোষণ করেছে এবং বিরোধী দল,বিশেষ করে ইসলামিপন্তিদের ওপর বিভিন্ন ভাবে দমন -নিপিড়ন চালিয়েছে।
তিনি তিনটি বড় ধরনের গনহত্যার অভিযোগ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে পিলখানায় ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনার হত্যাকান্ড, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে হেফাজতের কর্মীদের হত্যা এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ৫ আগষ্ট পযন্ত আরেকটি হত্যাকান্ড, যাতে অনেক শহীদ ও পঙ্গু হয়েছেন।
যারা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ করছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন,গত সাড়ে ১৫ বছরে যারা হত্যা, গনহত্যা, গুম, খুন ও ধর্ষণ করেছে এবং দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে,তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি পূরণ না হওয়া পযন্ত সোচ্চার থাকবো।






















