ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস–সংকটে জনদুর্ভোগ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হবে কুমিল্লায় দুই দিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকট, সুরাহার দিনক্ষণ অজানা ঢাকার আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বসছে এআই ট্রাফিক সিগন্যাল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়ল ৩টি মনোনয়নপত্র চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদে মিলাদুন্নবী ২৬ আগস্ট বুধবার গোপন তৎপরতায় জড়িত ঢাবি শিক্ষকদের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন মগবাজারে ডম ইনো প্রপার্টিজ ভবনে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস এআইয়ের অপব্যবহারে সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে দ্রুতগতির নতুন কৌশল নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় সবুজের মৃত্যুদণ্ড, খালাস পেলেন ২ জন

পানি না এলে আন্দোলন চলবেই: আমীর খসরু

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার ,নীলফামারী
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

পানি না এলে আন্দোলন চলবেই: আমীর খসরু

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার ,নীলফামারী

তিস্তা নদীর ন্যায্য পানি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, “তিস্তা নদীর পানি পাওয়া আমাদের অধিকার, আমাদের অস্তিত্বের দাবি। আন্তর্জাতিকভাবে নদী ব্যবস্থাপনায় যৌথ সহযোগিতার যে নীতি, তা এখানে ব্যর্থ হয়েছে। এখন সময় এসেছে এই ব্যবস্থাপনাকে পুনরুজ্জীবিত করার, যাতে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশ পায়।”

মঙ্গলবার বিকেলে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই পাকার মাথায় তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, “যখনই তিস্তার পানির ন্যায্য অধিকার নিয়ে দাবি ওঠে, তখনই তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। অথচ ফেনী নদীর ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তি হয়েছে, যা ভারতের জন্য লাভজনক। কিন্তু তিস্তার ন্যায্য পানি থেকে বাংলাদেশকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ফলে কৃষি উৎপাদন কমে গেছে, জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।”

তিনি আরও জানান, তিস্তা নদীতে পানি না থাকায় বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন চাল ও গম উৎপাদন কমছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা রক্ষা আন্দোলন মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।

পানি না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাও!” — দৃঢ় কণ্ঠে বলেন আমীর খসরু

তিনি বলেন, “যে কোনো দাবি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই আন্দোলন শুরু করেছে, এবং আমরা তিস্তা পাড়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছি। এ আন্দোলন আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় শক্তি জোগাবে।”

উল্লেখ্য, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তা নদীবেষ্টিত লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ১১টি পয়েন্টে সমাবেশ, পদযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটি। মঙ্গলবার ছিল এ দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পানি না এলে আন্দোলন চলবেই: আমীর খসরু

আপডেট সময় : ০৯:১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার ,নীলফামারী

তিস্তা নদীর ন্যায্য পানি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, “তিস্তা নদীর পানি পাওয়া আমাদের অধিকার, আমাদের অস্তিত্বের দাবি। আন্তর্জাতিকভাবে নদী ব্যবস্থাপনায় যৌথ সহযোগিতার যে নীতি, তা এখানে ব্যর্থ হয়েছে। এখন সময় এসেছে এই ব্যবস্থাপনাকে পুনরুজ্জীবিত করার, যাতে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশ পায়।”

মঙ্গলবার বিকেলে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই পাকার মাথায় তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, “যখনই তিস্তার পানির ন্যায্য অধিকার নিয়ে দাবি ওঠে, তখনই তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। অথচ ফেনী নদীর ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তি হয়েছে, যা ভারতের জন্য লাভজনক। কিন্তু তিস্তার ন্যায্য পানি থেকে বাংলাদেশকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ফলে কৃষি উৎপাদন কমে গেছে, জীববৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।”

তিনি আরও জানান, তিস্তা নদীতে পানি না থাকায় বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন চাল ও গম উৎপাদন কমছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা রক্ষা আন্দোলন মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।

পানি না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাও!” — দৃঢ় কণ্ঠে বলেন আমীর খসরু

তিনি বলেন, “যে কোনো দাবি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই আন্দোলন শুরু করেছে, এবং আমরা তিস্তা পাড়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছি। এ আন্দোলন আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় শক্তি জোগাবে।”

উল্লেখ্য, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তা নদীবেষ্টিত লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ১১টি পয়েন্টে সমাবেশ, পদযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটি। মঙ্গলবার ছিল এ দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিন।