ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাদ পড়া ১৬ লাখ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনছে সরকার মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বিস্ময়কর ছবি তুললেন নভোচারী জেসিকা মেয়ার ভারতে ১৪ রাজ্যে একযোগে অভিযান, গ্রেপ্তার ২৫৩ সন্দেহভাজন রাজস্ব সম্মেলনে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যৌন নিপীড়ন মামলায় ট্রাম্পের আপিল দ্বিতীয়বার খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করল আবহাওয়া অধিদপ্তর ইরানের সঙ্গে উত্তেজনায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে ৩৩ শতাংশে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন ডেঙ্গু ও হামের দ্বিমুখী আক্রমণে পঙ্গু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা বেগমগঞ্জে গায়ে হলুদে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ৫

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পরের দিন ওই নারীর মেয়ে সায়মার (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক।
তিনি জানান, (৭ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সকালে পুলিশ করতোয়া নদীর বড় বদনারপাড়া নামকস্থান থেকে মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নামে একজনকে আটক করা হলে তার স্বীকারোক্তিতে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করতোয়া নদীর টোংরারদহ নামকস্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘাতক আতিকুর রহমানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, দেড় মাস আগে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের ৫ বছরের মেয়ে সায়মাকে মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরিত্যক্ত জায়গা থেকে পুঁতে রাখা সায়মার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের বড় বদনারাপাড়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে আতিকুর রহমান (৩৫)। তিনি ১জন পেশাদার জুয়াড়ি হওয়ায় মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী নিয়ে আসতেন। কয়েকদিন আগে সে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পশ্চিম গোলমুন্ডা ফকিরপাড়ার রবিউল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুককে (৩৬) তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর তীরে বড় বদনারপাড়ায় একটি মরিচের ক্ষেত থেকে ঝিনুকের মাথাবিহীন লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ এবং র‍্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা আতিকুর রহমানকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঝিনুকের ফেলে রাখা লাশের স্থান থেকে ১ কিলোমিটার দূরে ওই নদীর টোংরারদহ নামকস্থানে নদীপাড়ে কাঁদার নিচ থেকে ঝিনুকের মাথাটি ৪১ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে উদ্ধার করে।

পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক জানান, কী কারণে নারীকে হত্যা এবং তার সন্তানকে হত্যা করেছে ঘাতক তা এখনও জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। মূল ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে অল্প সময়ের মধ্যে জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পরের দিন ওই নারীর মেয়ে সায়মার (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক।
তিনি জানান, (৭ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সকালে পুলিশ করতোয়া নদীর বড় বদনারপাড়া নামকস্থান থেকে মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নামে একজনকে আটক করা হলে তার স্বীকারোক্তিতে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করতোয়া নদীর টোংরারদহ নামকস্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘাতক আতিকুর রহমানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, দেড় মাস আগে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের ৫ বছরের মেয়ে সায়মাকে মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরিত্যক্ত জায়গা থেকে পুঁতে রাখা সায়মার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের বড় বদনারাপাড়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে আতিকুর রহমান (৩৫)। তিনি ১জন পেশাদার জুয়াড়ি হওয়ায় মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী নিয়ে আসতেন। কয়েকদিন আগে সে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পশ্চিম গোলমুন্ডা ফকিরপাড়ার রবিউল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুককে (৩৬) তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর তীরে বড় বদনারপাড়ায় একটি মরিচের ক্ষেত থেকে ঝিনুকের মাথাবিহীন লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ এবং র‍্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা আতিকুর রহমানকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঝিনুকের ফেলে রাখা লাশের স্থান থেকে ১ কিলোমিটার দূরে ওই নদীর টোংরারদহ নামকস্থানে নদীপাড়ে কাঁদার নিচ থেকে ঝিনুকের মাথাটি ৪১ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে উদ্ধার করে।

পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক জানান, কী কারণে নারীকে হত্যা এবং তার সন্তানকে হত্যা করেছে ঘাতক তা এখনও জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। মূল ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে অল্প সময়ের মধ্যে জানা যাবে।