ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আহত ৪, লুট ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাড়েনি গণপরিবহনের ভাড়া সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক নগরীর আইডিয়াল মোড় সংলগ্ন মহাসড়কে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত খুলনায় নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা বৈশাখের ঝড় ও বজ্রপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা কৃষি জমির টপসয়েল কাটা বাধা দিলেন ইউপি সদস্য রহিম উল্লাহ আমজাদহাটে জনমনে স্বস্তি সুনামগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও দিরাইয়ে ৫ জনের মৃত্যু কিশোরগঞ্জ টানা ৭২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০০ বার পড়া হয়েছে

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পরের দিন ওই নারীর মেয়ে সায়মার (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক।
তিনি জানান, (৭ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সকালে পুলিশ করতোয়া নদীর বড় বদনারপাড়া নামকস্থান থেকে মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নামে একজনকে আটক করা হলে তার স্বীকারোক্তিতে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করতোয়া নদীর টোংরারদহ নামকস্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘাতক আতিকুর রহমানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, দেড় মাস আগে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের ৫ বছরের মেয়ে সায়মাকে মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরিত্যক্ত জায়গা থেকে পুঁতে রাখা সায়মার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের বড় বদনারাপাড়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে আতিকুর রহমান (৩৫)। তিনি ১জন পেশাদার জুয়াড়ি হওয়ায় মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী নিয়ে আসতেন। কয়েকদিন আগে সে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পশ্চিম গোলমুন্ডা ফকিরপাড়ার রবিউল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুককে (৩৬) তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর তীরে বড় বদনারপাড়ায় একটি মরিচের ক্ষেত থেকে ঝিনুকের মাথাবিহীন লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ এবং র‍্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা আতিকুর রহমানকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঝিনুকের ফেলে রাখা লাশের স্থান থেকে ১ কিলোমিটার দূরে ওই নদীর টোংরারদহ নামকস্থানে নদীপাড়ে কাঁদার নিচ থেকে ঝিনুকের মাথাটি ৪১ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে উদ্ধার করে।

পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক জানান, কী কারণে নারীকে হত্যা এবং তার সন্তানকে হত্যা করেছে ঘাতক তা এখনও জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। মূল ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে অল্প সময়ের মধ্যে জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নারীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে ঘাতক আতিকুরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধারের পরের দিন ওই নারীর মেয়ে সায়মার (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক।
তিনি জানান, (৭ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সকালে পুলিশ করতোয়া নদীর বড় বদনারপাড়া নামকস্থান থেকে মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নামে একজনকে আটক করা হলে তার স্বীকারোক্তিতে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করতোয়া নদীর টোংরারদহ নামকস্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘাতক আতিকুর রহমানকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, দেড় মাস আগে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুকের ৫ বছরের মেয়ে সায়মাকে মেরে মাটিতে পুঁতে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরিত্যক্ত জায়গা থেকে পুঁতে রাখা সায়মার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের বড় বদনারাপাড়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে আতিকুর রহমান (৩৫)। তিনি ১জন পেশাদার জুয়াড়ি হওয়ায় মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রাগানের শিল্পী নিয়ে আসতেন। কয়েকদিন আগে সে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পশ্চিম গোলমুন্ডা ফকিরপাড়ার রবিউল ইসলামের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে দেলোয়ারা বেগম ঝিনুককে (৩৬) তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত শুক্রবার সকালে পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর তীরে বড় বদনারপাড়ায় একটি মরিচের ক্ষেত থেকে ঝিনুকের মাথাবিহীন লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। পরে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ এবং র‍্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা আতিকুর রহমানকে আটক করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঝিনুকের ফেলে রাখা লাশের স্থান থেকে ১ কিলোমিটার দূরে ওই নদীর টোংরারদহ নামকস্থানে নদীপাড়ে কাঁদার নিচ থেকে ঝিনুকের মাথাটি ৪১ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে উদ্ধার করে।

পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক জানান, কী কারণে নারীকে হত্যা এবং তার সন্তানকে হত্যা করেছে ঘাতক তা এখনও জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। মূল ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে অল্প সময়ের মধ্যে জানা যাবে।