ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তারে বাড়ছে উদ্বেগ ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই ছাপানো বন্ধ, পরিবর্তন হচ্ছে প্রজ্ঞার প্রতীক মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের তারকা-সমর্থন, রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক অস্ত্র মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন, জনসমক্ষে না আসার কারণ নিরাপত্তা ঈদগাঁও থানা হাজত থেকে পালানো কিশোর পরদিন আটক দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রশংসিত তারেক রহমান, সামনে ৩ কঠিন পরীক্ষা জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: নিরাপত্তার শঙ্কায় ডিবিকে দেয়া হয়নি ডিভাইস নাটোরে ৩০ শিক্ষার্থীকে অনিরুদ্ধ আশরাফ ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পরিচালক আটক অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল

পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পরিচালক আটক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত নুরে মদিনা আবাসিক মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এই মাদ্রাসাটিতে ঘটনার সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ অনুযায়ী, ফজরের আজানের ঠিক আগে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য সে কক্ষ থেকে বের হলে শিক্ষক আবু ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। ছাত্রীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু স্থানীয়দের হাতে তিনি আটক হন এবং পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ওই ছাত্রী আরও অভিযোগ করেছে যে, এর আগেও তাকে একাধিকবার চেতনানাশক ব্যবহার করে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও সে দাবি করেছে। এছাড়া মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গেও একই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে সে জানায়, বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। ছাত্রীটি এখন অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসা ভবন ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তৎপর হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা মাঠসংলগ্ন নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পরিচালক আটক

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত নুরে মদিনা আবাসিক মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এই মাদ্রাসাটিতে ঘটনার সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ অনুযায়ী, ফজরের আজানের ঠিক আগে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য সে কক্ষ থেকে বের হলে শিক্ষক আবু ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। ছাত্রীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু স্থানীয়দের হাতে তিনি আটক হন এবং পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ওই ছাত্রী আরও অভিযোগ করেছে যে, এর আগেও তাকে একাধিকবার চেতনানাশক ব্যবহার করে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও সে দাবি করেছে। এছাড়া মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গেও একই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে সে জানায়, বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। ছাত্রীটি এখন অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসা ভবন ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তৎপর হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা মাঠসংলগ্ন নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh