ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মাদক নির্মূলে গিয়েছিলাম, জমি দখল বা চাঁদাবাজি নয়: ইশরাক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড ও দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না ফেলার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সোমবার ১৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইশরাক বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন।

পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, তার কারণে যেন প্রধানমন্ত্রী বা দল কোনো ধরনের অস্বস্তিতে না পড়ে। তিনি বলেন, আমার দ্বারা কোনো ভুল হয়ে থাকলে বা কাউকে আঘাত দিয়ে থাকলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমি কোনো ভুল করিনি। নিজের নিরাপত্তার খাতিরেই আমি ব্যক্তিগত অস্ত্র সঙ্গে রেখেছিলাম।

মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে ইশরাক হোসেন দাবি করেন, তিনি কোনো জমি দখল বা চাঁদাবাজি করতে যাননি, বরং মাদক নির্মূল করাই ছিল তার অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। তার ভাষ্যমতে, মাদক কারবারিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের যোগসাজশ রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে এবং সেখানকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক আরও জানান, পুলিশ বাহিনী প্রয়োজনীয় সরঞ্জামে সজ্জিত না থাকায় তিনি এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় থানাকে অবহিত করেই তিনি ঘুণ্টিঘর এলাকায় যান। তিনি দাবি করেন, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না, এমনকি পুলিশও সেখানে অভিযানে যেতে সাহস পায় না। তার দাবি, মাদক নির্মূলের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরাতেই তার বিরুদ্ধে নানা বয়ান তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও জনজীবনের সমস্যা সমাধানে কাজ করার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদক নির্মূলে গিয়েছিলাম, জমি দখল বা চাঁদাবাজি নয়: ইশরাক

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড ও দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না ফেলার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সোমবার ১৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইশরাক বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন।

পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, তার কারণে যেন প্রধানমন্ত্রী বা দল কোনো ধরনের অস্বস্তিতে না পড়ে। তিনি বলেন, আমার দ্বারা কোনো ভুল হয়ে থাকলে বা কাউকে আঘাত দিয়ে থাকলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমি কোনো ভুল করিনি। নিজের নিরাপত্তার খাতিরেই আমি ব্যক্তিগত অস্ত্র সঙ্গে রেখেছিলাম।

মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে ইশরাক হোসেন দাবি করেন, তিনি কোনো জমি দখল বা চাঁদাবাজি করতে যাননি, বরং মাদক নির্মূল করাই ছিল তার অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। তার ভাষ্যমতে, মাদক কারবারিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের যোগসাজশ রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে এবং সেখানকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক আরও জানান, পুলিশ বাহিনী প্রয়োজনীয় সরঞ্জামে সজ্জিত না থাকায় তিনি এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় থানাকে অবহিত করেই তিনি ঘুণ্টিঘর এলাকায় যান। তিনি দাবি করেন, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না, এমনকি পুলিশও সেখানে অভিযানে যেতে সাহস পায় না। তার দাবি, মাদক নির্মূলের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরাতেই তার বিরুদ্ধে নানা বয়ান তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও জনজীবনের সমস্যা সমাধানে কাজ করার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din