ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে গ্রেপ্তার ৫ শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি, শনিবার খোলা ব্যাংক সরকারি বাসা বরাদ্দ এখন অনলাইনে, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ সৌদি আরবের অধিকাংশ আকাশসীমা ও বিমানবন্দর ‘অনিরাপদ’: হুথি মুখপাত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত সাজেক যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশ ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় ওয়াকআউট করল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সেগুনবাগিচায় সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের দেয়ালে সারিবদ্ধ গাড়ির দখল সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধান লালমোহনে নজরুল বর্ষ ২০২৬ উদযাপন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুখর অনুষ্ঠান

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথ নির্মাণে আইনি বাধা কাটল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ এবং এর নিচ দিয়ে চার লেন বিশিষ্ট রেলপথ তৈরির পথে থাকা দীর্ঘ সাত বছরের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক আদেশের মাধ্যমে এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সব আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত সরকারের পক্ষে এই আদেশ প্রদান করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মগবাজারের পেয়ারাবাগ অংশের জমির মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বিরোধের কারণে সাত বছর ধরে ওই এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন এবং সেই বছরের ২৯শে মে রায় তার পক্ষে পান। তবে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় সরকার তখন আইনি প্রতিকার পায়নি। পরবর্তীতে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ২রা সেপ্টেম্বর রেলওয়ের পক্ষে রায় আসে। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্ট বিভাগে ১৩৮৯২/২০২৬ নম্বর রিট পিটিশন দায়ের করলে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করেন, যা কাজকে পুনরায় অনিশ্চয়তায় ফেলে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, ডিসি এবং সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস পিটিশন (নম্বর ৯৯৪/২০২৬) দায়ের করা হয়। অবকাশকালীন বিচারপতির বিশেষ অনুমতি নিয়ে এদিন বিকেল ৫টায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুফ রউফ, অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী। অপরপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন। আদালত শুনানির পর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে জমির মালিকানার সপক্ষে এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের দাবিকৃত ক্ষতিপূরণ বা ‘অ্যাওয়ার্ড মানি’ পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথ নির্মাণে আইনি বাধা কাটল

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ এবং এর নিচ দিয়ে চার লেন বিশিষ্ট রেলপথ তৈরির পথে থাকা দীর্ঘ সাত বছরের আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক আদেশের মাধ্যমে এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সব আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত সরকারের পক্ষে এই আদেশ প্রদান করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মগবাজারের পেয়ারাবাগ অংশের জমির মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বিরোধের কারণে সাত বছর ধরে ওই এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন এবং সেই বছরের ২৯শে মে রায় তার পক্ষে পান। তবে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় সরকার তখন আইনি প্রতিকার পায়নি। পরবর্তীতে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ২রা সেপ্টেম্বর রেলওয়ের পক্ষে রায় আসে। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্ট বিভাগে ১৩৮৯২/২০২৬ নম্বর রিট পিটিশন দায়ের করলে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করেন, যা কাজকে পুনরায় অনিশ্চয়তায় ফেলে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, ডিসি এবং সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস পিটিশন (নম্বর ৯৯৪/২০২৬) দায়ের করা হয়। অবকাশকালীন বিচারপতির বিশেষ অনুমতি নিয়ে এদিন বিকেল ৫টায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুফ রউফ, অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী। অপরপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন। আদালত শুনানির পর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে জমির মালিকানার সপক্ষে এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের দাবিকৃত ক্ষতিপূরণ বা ‘অ্যাওয়ার্ড মানি’ পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin