ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: মানবপাচারের শিকার ২০ বাংলাদেশি নিহত হুতিদের হামলায় সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুখবর পেলেন দুই হাতহীন আলতাফসহ তিন উদ্যোক্তা রাজশাহী কলেজে রুমমেটের দ্বন্দ্বে ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝালকাঠিতে সরকারি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ চীনা যন্ত্রাংশে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে ইয়েমেনের হুতিরা ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত পোপ লিও, ইতালিতে সফল অস্ত্রোপচার আয়াসের জামিন শুনানি চলাকালে বিচারকের সামনে আইনজীবীদের হাতাহাতি সার সংকটের পেছনে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ বিচারিক কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রধান বিচারপতির প্রতি এই দীর্ঘ ছুটির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটির ক্যালেন্ডার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ৩৬৫ দিনের বছরের একটি বড় অংশই ছুটির মধ্যে অতিবাহিত হয়। সরকারি ছুটির পাশাপাশি আদালতের নিজস্ব দীর্ঘ অবকাশের কারণে বিচারিক কার্যদিবসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়, যা বিচার বিভাগের প্রত্যাশিত কর্মগতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক থাকাকালীনও তিনি এই দীর্ঘ ছুটি কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ অবকাশের কারণে মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষার সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ছুটির সময় বিচারপতিরা অসমাপ্ত রায় লেখার কাজ শেষ করবেন—এমনটি প্রত্যাশা করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাস একটি রায়ও লেখা হয় না। তিনি মনে করেন, বিষয়টি মূলত বিচারকদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভরশীল, শুধু দীর্ঘ ছুটি থাকলেই রায় লেখা নিশ্চিত হয় না।

অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত দীর্ঘ অবকাশ বিচারপ্রার্থীদের জন্য জটিলতা তৈরি করছে বলে তিনি মত দেন। ছুটির সময় কমিয়ে বিচারকদের বিচারিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে পারলে মামলাজট নিরসন এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে, কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এছাড়া কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি পরিবার ও সমাজের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় বিচারাধীন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ বিচারিক কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রধান বিচারপতির প্রতি এই দীর্ঘ ছুটির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটির ক্যালেন্ডার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ৩৬৫ দিনের বছরের একটি বড় অংশই ছুটির মধ্যে অতিবাহিত হয়। সরকারি ছুটির পাশাপাশি আদালতের নিজস্ব দীর্ঘ অবকাশের কারণে বিচারিক কার্যদিবসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়, যা বিচার বিভাগের প্রত্যাশিত কর্মগতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক থাকাকালীনও তিনি এই দীর্ঘ ছুটি কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ অবকাশের কারণে মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষার সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ছুটির সময় বিচারপতিরা অসমাপ্ত রায় লেখার কাজ শেষ করবেন—এমনটি প্রত্যাশা করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাস একটি রায়ও লেখা হয় না। তিনি মনে করেন, বিষয়টি মূলত বিচারকদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভরশীল, শুধু দীর্ঘ ছুটি থাকলেই রায় লেখা নিশ্চিত হয় না।

অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত দীর্ঘ অবকাশ বিচারপ্রার্থীদের জন্য জটিলতা তৈরি করছে বলে তিনি মত দেন। ছুটির সময় কমিয়ে বিচারকদের বিচারিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে পারলে মামলাজট নিরসন এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে, কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এছাড়া কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি পরিবার ও সমাজের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় বিচারাধীন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin