ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নোয়াখালীতে প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর-হাজীর হাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ ও সড়কে দাঁড়িয়ে তারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ধর্মপুর-হাজীর হাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর ওপর একদল যুবক হামলা চালায়। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নোয়াখালী সদর উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মঞ্জু বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম থাকলে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু এভাবে হামলা ও নাজেহাল করা অত্যন্ত দুঃখজনক।

অন্যদিকে, স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন এবং দলটির পক্ষে কাজ করতেন। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক ও আব্দুর রহিমসহ কয়েকজনকে চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং করোনা পরিস্থিতির সময় বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকের বেতন থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া তিনি ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং বাহকের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে বেতন-ভাতাসহ নানা সুবিধা ভোগ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা জানান, এসব অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো তদন্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সুধারাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজা হচ্ছে। হামলার পেছনে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর-হাজীর হাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ ও সড়কে দাঁড়িয়ে তারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ধর্মপুর-হাজীর হাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর ওপর একদল যুবক হামলা চালায়। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নোয়াখালী সদর উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মঞ্জু বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম থাকলে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু এভাবে হামলা ও নাজেহাল করা অত্যন্ত দুঃখজনক।

অন্যদিকে, স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন এবং দলটির পক্ষে কাজ করতেন। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক ও আব্দুর রহিমসহ কয়েকজনকে চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং করোনা পরিস্থিতির সময় বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকের বেতন থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া তিনি ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং বাহকের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে বেতন-ভাতাসহ নানা সুবিধা ভোগ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা জানান, এসব অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো তদন্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সুধারাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজা হচ্ছে। হামলার পেছনে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh