ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন নিয়োগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন পদে সংগীত বিভাগের একজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এবং ক্লাস বর্জন করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে আইন অনুষদের বাইরের বিভাগের শিক্ষককে ডিনের চেয়ারে বসানো হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইরফান আজিজের স্থলা আজিজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আইন অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ পান সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। এই নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ এর ২২(৫) ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই ডিন নিয়োগের বিধান রয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তানভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক অনুষদের শিক্ষক অন্য অনুষদের ডিন হতে পারেন না। এই বিধি উপেক্ষা করে প্রশাসন যা করেছে, তা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তারা কোনোভাবেই মানবেন না এবং অবিলম্বে তাদের বিভাগ থেকে ডিন নিয়োগের দাবি জানান।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিক বলেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। অনুষদে যোগ্য সহযোগী অধ্যাপক থাকার পরও বাইরের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ায় তারা আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, নিয়ম হলো জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক ডিন হবেন। কিন্তু আইন বিভাগের যাকে ডিন করা যায়, তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কানাঘুষা থাকায় সমালোচনা এড়াতে সাময়িকভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে আইন বিভাগ কলা অনুষদের অধীনেই ছিল এবং ডিনদের কাজ তো আর আলাদা নয়। যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি অত্যন্ত শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তশিষ্ট। এরপরও সমস্যা হলে উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন নিয়োগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন পদে সংগীত বিভাগের একজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এবং ক্লাস বর্জন করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে আইন অনুষদের বাইরের বিভাগের শিক্ষককে ডিনের চেয়ারে বসানো হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইরফান আজিজের স্থলা আজিজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আইন অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ পান সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। এই নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ এর ২২(৫) ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই ডিন নিয়োগের বিধান রয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তানভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক অনুষদের শিক্ষক অন্য অনুষদের ডিন হতে পারেন না। এই বিধি উপেক্ষা করে প্রশাসন যা করেছে, তা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তারা কোনোভাবেই মানবেন না এবং অবিলম্বে তাদের বিভাগ থেকে ডিন নিয়োগের দাবি জানান।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিক বলেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। অনুষদে যোগ্য সহযোগী অধ্যাপক থাকার পরও বাইরের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ায় তারা আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, নিয়ম হলো জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক ডিন হবেন। কিন্তু আইন বিভাগের যাকে ডিন করা যায়, তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কানাঘুষা থাকায় সমালোচনা এড়াতে সাময়িকভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে আইন বিভাগ কলা অনুষদের অধীনেই ছিল এবং ডিনদের কাজ তো আর আলাদা নয়। যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি অত্যন্ত শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তশিষ্ট। এরপরও সমস্যা হলে উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।