ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: বাল্যবিয়ে রোধে বিশেষ গুরুত্ব ২৫ কোটির বাজেটে ৩৩০ কোটি আয় করে রেকর্ড গড়ল ‘বেথলেহেম কুদুম্বা ইউনিট’ ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ অচল করার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে নিজের বাল্যবিবাহ রুখে দিল তানিয়া উৎপাদন খরচ ও দরপতনের চাপে ঈশ্বরদীতে শিম চাষ ৩৬ শতাংশ কমেছে ওষুধের দাম সাধারণের নাগালে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের শিক্ষার মানোন্নয়নে ওবিই কারিকুলামের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি: বাউবি উপাচার্য পুরস্কার উৎসর্গ করে রাফীকে মঞ্চে ডাকলেন তমা মির্জা জুয়া খেলার ভিডিও ভাইরাল, সমালোচনায় বুড়িচং বিএনপি নেতা লা লিগায় গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন নিয়োগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন পদে সংগীত বিভাগের একজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এবং ক্লাস বর্জন করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে আইন অনুষদের বাইরের বিভাগের শিক্ষককে ডিনের চেয়ারে বসানো হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইরফান আজিজের স্থলা আজিজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আইন অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ পান সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। এই নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ এর ২২(৫) ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই ডিন নিয়োগের বিধান রয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তানভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক অনুষদের শিক্ষক অন্য অনুষদের ডিন হতে পারেন না। এই বিধি উপেক্ষা করে প্রশাসন যা করেছে, তা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তারা কোনোভাবেই মানবেন না এবং অবিলম্বে তাদের বিভাগ থেকে ডিন নিয়োগের দাবি জানান।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিক বলেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। অনুষদে যোগ্য সহযোগী অধ্যাপক থাকার পরও বাইরের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ায় তারা আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, নিয়ম হলো জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক ডিন হবেন। কিন্তু আইন বিভাগের যাকে ডিন করা যায়, তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কানাঘুষা থাকায় সমালোচনা এড়াতে সাময়িকভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে আইন বিভাগ কলা অনুষদের অধীনেই ছিল এবং ডিনদের কাজ তো আর আলাদা নয়। যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি অত্যন্ত শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তশিষ্ট। এরপরও সমস্যা হলে উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন নিয়োগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদের ডিন পদে সংগীত বিভাগের একজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এবং ক্লাস বর্জন করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে আইন অনুষদের বাইরের বিভাগের শিক্ষককে ডিনের চেয়ারে বসানো হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইরফান আজিজের স্থলা আজিজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আইন অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ পান সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। এই নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ এর ২২(৫) ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই ডিন নিয়োগের বিধান রয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তানভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক অনুষদের শিক্ষক অন্য অনুষদের ডিন হতে পারেন না। এই বিধি উপেক্ষা করে প্রশাসন যা করেছে, তা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তারা কোনোভাবেই মানবেন না এবং অবিলম্বে তাদের বিভাগ থেকে ডিন নিয়োগের দাবি জানান।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিক বলেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। অনুষদে যোগ্য সহযোগী অধ্যাপক থাকার পরও বাইরের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ায় তারা আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, নিয়ম হলো জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক ডিন হবেন। কিন্তু আইন বিভাগের যাকে ডিন করা যায়, তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কানাঘুষা থাকায় সমালোচনা এড়াতে সাময়িকভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগে আইন বিভাগ কলা অনুষদের অধীনেই ছিল এবং ডিনদের কাজ তো আর আলাদা নয়। যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিনি অত্যন্ত শিক্ষার্থীবান্ধব ও শান্তশিষ্ট। এরপরও সমস্যা হলে উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin