ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে একই দিনে অপুর জন্মদিন ও শাকিবের ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড জয় তিন দিন পর নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত বুন্দেসলিগার ইতিহাসে দ্রুততম গোল হজমের লজ্জা পেল বায়ার্ন নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অধরা খানের অভিযোগ

যশোরে ডাকাত সন্দেহে গণধোলাই, আটক ৫ যুবক হাসপাতালে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে গভীর রাতে ডাকাত সন্দেহে পাঁচ যুবককে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে রাত প্রায় ১১টার দিকে, যখন একটি প্রাইভেটকার ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে একদল যুবক গ্রামটিতে প্রবেশ করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা ও তল্লাশি শুরু করে। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ‘ডাকাত আতঙ্ক’ ছড়িয়ে পড়লে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীর সহায়তা চাওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে দুই গ্রামের শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

উত্তেজিত জনতার ধাওয়া খেয়ে সন্দেহভাজন যুবকরা বালিয়াডাঙা বিসিক এলাকা থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। মান্দারতলায় একটি প্রাইভেটকার ফেলে তারা বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও মালোপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয়রা ধাওয়া করে পাঁচজনকে ধরে ফেলেন। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক পাঁচ যুবক হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার বাইশা চাঁদপুর গ্রামের রাসেল, নাহিদ, নিরব, সুজন ও তানজিম। পুলিশ তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। স্থানীয়দের কারো কারো দাবি, ওই দলে একজন নারীও ছিলেন, তবে তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটককৃতরা তাদের সেখানে উপস্থিতির কারণ সম্পর্কে একেকজন একেক রকম তথ্য দিয়েছেন। কেউ দাবি করেছেন আদম ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়েছিলেন, আবার কেউ জানিয়েছেন স্ত্রীকে নিতে এসেছিলেন; অন্য একজন কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। তাদের এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে জনমনে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আটক ব্যক্তিরা কোনো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য হতে পারেন। তবে ডাকাতির কোনো সুনির্দিষ্ট আলামত ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরে ডাকাত সন্দেহে গণধোলাই, আটক ৫ যুবক হাসপাতালে

আপডেট সময় : ১০:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে গভীর রাতে ডাকাত সন্দেহে পাঁচ যুবককে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে রাত প্রায় ১১টার দিকে, যখন একটি প্রাইভেটকার ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে একদল যুবক গ্রামটিতে প্রবেশ করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা ও তল্লাশি শুরু করে। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ‘ডাকাত আতঙ্ক’ ছড়িয়ে পড়লে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীর সহায়তা চাওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে দুই গ্রামের শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

উত্তেজিত জনতার ধাওয়া খেয়ে সন্দেহভাজন যুবকরা বালিয়াডাঙা বিসিক এলাকা থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। মান্দারতলায় একটি প্রাইভেটকার ফেলে তারা বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও মালোপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয়রা ধাওয়া করে পাঁচজনকে ধরে ফেলেন। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক পাঁচ যুবক হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার বাইশা চাঁদপুর গ্রামের রাসেল, নাহিদ, নিরব, সুজন ও তানজিম। পুলিশ তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। স্থানীয়দের কারো কারো দাবি, ওই দলে একজন নারীও ছিলেন, তবে তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটককৃতরা তাদের সেখানে উপস্থিতির কারণ সম্পর্কে একেকজন একেক রকম তথ্য দিয়েছেন। কেউ দাবি করেছেন আদম ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়েছিলেন, আবার কেউ জানিয়েছেন স্ত্রীকে নিতে এসেছিলেন; অন্য একজন কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। তাদের এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে জনমনে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আটক ব্যক্তিরা কোনো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য হতে পারেন। তবে ডাকাতির কোনো সুনির্দিষ্ট আলামত ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin