ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলায় মহিষ চুরি রোধে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি কুমিল্লায় ছাত্রদলের মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার তানজিম, ভিডিও ভাইরাল জাসদ কার্যালয়ে অভিযান: আটক ২৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ নেপালের হিমলুং পর্বতে তুষারধস, ১০ পর্বতারোহী ও গাইড নিখোঁজ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত বৃটিশ বিমানঘাঁটির কাছে বাড়ি খালি করল পুলিশ বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এই ঢালাও অভিযোগের মানে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গবেষণা ও উদ্ভাবনে সহযোগিতা নিয়ে ঢাবি-বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের বৈঠক মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক দখল করতে দেওয়া হবে না: আসিফ মাহমুদ চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা বাংলাদেশের অগ্রাধিকার: জহির উদ্দিন স্বপন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাফেটেরিয়া মাত্র একটি, আসন ৬০টি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিষ্ঠার পর দুই দশক পেরিয়ে গেলেও ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এখনো রয়েছে মাত্র একটি ক্যাফেটেরিয়া। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে থাকা এই একমাত্র ক্যাফেটেরিয়াটিতে আসন রয়েছে মাত্র ৬০টি। এর মধ্যে আবার বেশ কিছু চেয়ার-টেবিল ভাঙাচোরা ও ব্যবহারের অনুপযোগী। ফলে গড়ে প্রতি ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য আসন রয়েছে মাত্র একটি। আসন সংকটের পাশাপাশি খাবারের উচ্চমূল্য, নিম্নমান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরের খাবারের ব্যস্ত সময়ে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ক্যাফেটেরিয়া থেকে টোকেন নেওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থীকে বসার জায়গার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাধ্য হয়ে অনেককে দাঁড়িয়ে খেতে হয়, আবার অনেকে খাবার হাতে নিয়ে ক্যাম্পাসের অন্য কোনো ফাঁকা জায়গায় চলে যান। ক্লাসের ফাঁকে দ্রুত খাবার শেষ করে পরবর্তী ক্লাসে যাওয়ার তাড়া থাকলেও বসার জায়গা না থাকায় শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ক্যাফেটেরিয়ার স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খাবারে পোকামাকড় ও তেলাপোকা পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে খাবারে এ ধরনের নোংরা জিনিস পাওয়া গেছে, যা খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন প্রক্রিয়ার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে। রান্নাঘরের পরিবেশও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। রান্নার স্থান এবং খাবার সংরক্ষণের জায়গায় যথাযথ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত না করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং পুরো ক্যাফেটেরিয়া নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দাবি জানিয়েছেন。

ক্যাফেটেরিয়ায় বর্তমানে তেহারি ৪০ টাকা, ভাতের সঙ্গে এক পিস মুরগি অথবা ছোট মাছ ও পাতলা ডাল ৪০ টাকা, খিচুড়ি ও ছোট ডিম ৪০ টাকা, ছোট পরোটা ৫ টাকা এবং ছোট শিঙাড়া ৪ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম তুলনামূলক কম হলেও খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্টি নেই। তাদের মতে, স্বল্পমূল্যে খাবার সরবরাহ করা প্রশংসনীয় হলেও কম দামের অজুহাতে খাবারের মান, পরিমাণ ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করা ঠিক নয়। এছাড়া প্রতিদিন একই ধরনের গৎবাঁধা খাবার না রেখে স্বল্পমূল্যের মধ্যে বৈচিত্র্যময় খাবারের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ক্যাফেটেরিয়া ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষার্থী সাইমা মিম অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিয়মিত ক্যাফেটেরিয়া থেকে বিনামূল্যে বা 'ফাও' খাবার খেয়ে থাকে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য ও অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে টোকেন বিক্রি, আয়-ব্যয় এবং বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ হিসাব রাখা এবং তা নিয়মিত তদারকি ও প্রকাশ করার দাবি উঠেছে।

এদিকে ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)। গত ১ জুলাই জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনকে তিন লাখ টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব দিয়ে একটি লিখিত আবেদন করা হয়। সেখানে চাল, ডাল ও ভোজ্যতেলের মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নূর মোহাম্মদ এ বিষয়ে বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শতভাগ টোকেন ব্যবস্থা চালু, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সেবার মান উন্নত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে ভর্তুকির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা বিনামূল্যে খাবার চান না; বরং নিজেদের সামর্থ্যের মধ্যে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার চান। এর পাশাপাশি মূল্যতালিকা দৃশ্যমান রাখা, খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখা এবং বসার আসন বাড়ানোর দাবি তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান ও মূল্য পর্যবেক্ষণে একটি মনিটরিং কমিটি কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. কেএএম রিফাত হাসান বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার মান ও সেবার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৪৫আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাফেটেরিয়া মাত্র একটি, আসন ৬০টি

আপডেট সময় : ০১:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিষ্ঠার পর দুই দশক পেরিয়ে গেলেও ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এখনো রয়েছে মাত্র একটি ক্যাফেটেরিয়া। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে থাকা এই একমাত্র ক্যাফেটেরিয়াটিতে আসন রয়েছে মাত্র ৬০টি। এর মধ্যে আবার বেশ কিছু চেয়ার-টেবিল ভাঙাচোরা ও ব্যবহারের অনুপযোগী। ফলে গড়ে প্রতি ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য আসন রয়েছে মাত্র একটি। আসন সংকটের পাশাপাশি খাবারের উচ্চমূল্য, নিম্নমান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরের খাবারের ব্যস্ত সময়ে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ক্যাফেটেরিয়া থেকে টোকেন নেওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থীকে বসার জায়গার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাধ্য হয়ে অনেককে দাঁড়িয়ে খেতে হয়, আবার অনেকে খাবার হাতে নিয়ে ক্যাম্পাসের অন্য কোনো ফাঁকা জায়গায় চলে যান। ক্লাসের ফাঁকে দ্রুত খাবার শেষ করে পরবর্তী ক্লাসে যাওয়ার তাড়া থাকলেও বসার জায়গা না থাকায় শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ক্যাফেটেরিয়ার স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খাবারে পোকামাকড় ও তেলাপোকা পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের দাবি, বিভিন্ন সময়ে খাবারে এ ধরনের নোংরা জিনিস পাওয়া গেছে, যা খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন প্রক্রিয়ার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে। রান্নাঘরের পরিবেশও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। রান্নার স্থান এবং খাবার সংরক্ষণের জায়গায় যথাযথ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত না করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং পুরো ক্যাফেটেরিয়া নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দাবি জানিয়েছেন。

ক্যাফেটেরিয়ায় বর্তমানে তেহারি ৪০ টাকা, ভাতের সঙ্গে এক পিস মুরগি অথবা ছোট মাছ ও পাতলা ডাল ৪০ টাকা, খিচুড়ি ও ছোট ডিম ৪০ টাকা, ছোট পরোটা ৫ টাকা এবং ছোট শিঙাড়া ৪ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম তুলনামূলক কম হলেও খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্টি নেই। তাদের মতে, স্বল্পমূল্যে খাবার সরবরাহ করা প্রশংসনীয় হলেও কম দামের অজুহাতে খাবারের মান, পরিমাণ ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করা ঠিক নয়। এছাড়া প্রতিদিন একই ধরনের গৎবাঁধা খাবার না রেখে স্বল্পমূল্যের মধ্যে বৈচিত্র্যময় খাবারের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ক্যাফেটেরিয়া ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষার্থী সাইমা মিম অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিয়মিত ক্যাফেটেরিয়া থেকে বিনামূল্যে বা 'ফাও' খাবার খেয়ে থাকে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য ও অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে টোকেন বিক্রি, আয়-ব্যয় এবং বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ হিসাব রাখা এবং তা নিয়মিত তদারকি ও প্রকাশ করার দাবি উঠেছে।

এদিকে ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)। গত ১ জুলাই জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনকে তিন লাখ টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব দিয়ে একটি লিখিত আবেদন করা হয়। সেখানে চাল, ডাল ও ভোজ্যতেলের মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নূর মোহাম্মদ এ বিষয়ে বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শতভাগ টোকেন ব্যবস্থা চালু, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সেবার মান উন্নত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে ভর্তুকির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা বিনামূল্যে খাবার চান না; বরং নিজেদের সামর্থ্যের মধ্যে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার চান। এর পাশাপাশি মূল্যতালিকা দৃশ্যমান রাখা, খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখা এবং বসার আসন বাড়ানোর দাবি তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান ও মূল্য পর্যবেক্ষণে একটি মনিটরিং কমিটি কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. কেএএম রিফাত হাসান বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার মান ও সেবার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৪৫আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh