বিশ্ব পর্যটন দিবস: ডিজিটাল ও এআই প্রযুক্তিতে সাজছে বাংলাদেশের পর্যটন
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

আজ রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (ইউএন ট্যুরিজম) নির্ধারিত এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হলো—‘ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যটনকে নতুনভাবে সাজানো’। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পর্যটন ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এই র্যালির উদ্বোধন করবেন। র্যালিতে পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় সাইকেল শোভাযাত্রা এবং সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বিপিসি) উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি বিশেষ গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।
পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড। এছাড়া ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
দিবসটির মূল অনুষ্ঠান আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, জিআই পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানে এবারের প্রতিপাদ্যের ওপর একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সভাপতিত্ব করবেন সচিব ফাহমিদা আক্তার।
এবারই প্রথম প্রবর্তিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড’। টেকসই পর্যটন, উদ্ভাবন, সেবার মানোন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৩টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী শেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।




























