ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাস চাপায় দুই কিশোর নিহত সুন্দরবনে বনদস্যু মজনু বাহিনীর কবলে ৪ জেলে, নৌকা ও মালামাল লুট ফেসবুক ও সংবাদপত্রে মিথ্যাচার ঠেকাতে সজাগ থাকার তাগিদ ড. মঈন খানের নয়াদিল্লির ছায়া কাটিয়ে বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির পথে বাংলাদেশ চাঁদা না দেওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও লুটপাট মধুপুরে বিরোধীদলকে আইসিটি মন্ত্রীর বার্তা: ‘লংমার্চ নয়, সত্য বলুন’ বিপর্যয়ের মুখে সিলেটের প্রকৃতি: প্রয়োজন দায়িত্বশীল পর্যটন ব্যবস্থাপনা কুবি সিন্ডিকেটে নতুন তিন সদস্য মনোনীত মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা: কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ডিএনসিসি প্রশাসকের ইরাকে বন্ধ হচ্ছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সদর দপ্তর

সামুদ্রিক খাতের আধুনিকায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে আধুনিক, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের জন্য কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন ও পরিচালনাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ব নৌ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার ভাষ্যমতে, জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জনে শুধু নীতি প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, বরং কার্যকর প্রয়োগ ও পরিচালনাগত দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। সরকারের গুরুত্বের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী বাস্তবায়ন, আধুনিক অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, দক্ষ নাবিক এবং সামুদ্রিক সুশাসন।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথে সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং বিস্তৃত নদীপথ দেশের বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। স্বাধীনতার পর থেকে সরকার সামুদ্রিক সীমানা, নৌপরিবহন ও বন্দর ব্যবস্থাপনার আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর ২৯টি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, নীল অর্থনীতির উন্নয়নে সরকার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং উপকূলীয় শিল্পের প্রসারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়া নৌপরিবহন খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো ও সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ সালকে ‘বাস্তবায়নের বছর’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী চারটি প্রধান অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে সবুজ নৌপরিবহন ও বিশ্বমানের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা গড়ে তোলা, ডিজিটাল লজিস্টিক ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বন্দরের আধুনিকায়ন, হাইড্রোগ্রাফি কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন।

তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাহাজ মালিক, নাবিক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের বৈশ্বিক মানদণ্ড ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সামুদ্রিক খাতের আধুনিকায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে আধুনিক, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের জন্য কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন ও পরিচালনাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ব নৌ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার ভাষ্যমতে, জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জনে শুধু নীতি প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, বরং কার্যকর প্রয়োগ ও পরিচালনাগত দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। সরকারের গুরুত্বের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী বাস্তবায়ন, আধুনিক অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, দক্ষ নাবিক এবং সামুদ্রিক সুশাসন।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথে সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং বিস্তৃত নদীপথ দেশের বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। স্বাধীনতার পর থেকে সরকার সামুদ্রিক সীমানা, নৌপরিবহন ও বন্দর ব্যবস্থাপনার আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর ২৯টি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, নীল অর্থনীতির উন্নয়নে সরকার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং উপকূলীয় শিল্পের প্রসারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়া নৌপরিবহন খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো ও সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ সালকে ‘বাস্তবায়নের বছর’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী চারটি প্রধান অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে সবুজ নৌপরিবহন ও বিশ্বমানের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা গড়ে তোলা, ডিজিটাল লজিস্টিক ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বন্দরের আধুনিকায়ন, হাইড্রোগ্রাফি কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন।

তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাহাজ মালিক, নাবিক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের বৈশ্বিক মানদণ্ড ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin