ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, দোকানে পেট্রল বোমা হামলা দক্ষিণ আফ্রিকার পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ১৭ সন্ত্রাসে মদদ দিলে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংলাপ বন্ধের হুঁশিয়ারি রাজনাথের ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে সায়েন্সল্যাবে ডিসিইউ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার বৈঠকে রুশ ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাজিবুল্লাহর উত্থান ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস পিটিআইয়ের ইসলামাবাদ লংমার্চ: কৌশলগত অনিশ্চয়তা ও নেতৃত্বের বিভক্তি কুষ্টিয়ায় ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল করিমন চালকের কপ৩১-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের আলোচনা তাড়াশে গরু চুরি ঠেকাতে বাঁশকল চেকপোস্ট, পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

সন্তান থাকার পরও অসহায় বৃদ্ধা ফুলির পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ০৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়াসরাইলে সন্তান ও পরিবার থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একাকী ও অসহায় দিন কাটাচ্ছেন ৭০ বছরের বেশি বয়সী বৃদ্ধা ফুলি। শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তিনি নিজের নাম-পরিচয়ও ঠিকমতো বলতে পারছেন না। গত বুধবার বিকেলে সরাইল সদর ইউনিয়নের বড্ডাপাড়া গরুর বাজারের সামনে তাকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সরাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সচালক জাকিরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্যকর্মী রাসেল চৌধুরী তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও বৃদ্ধা ফুলি দীর্ঘদিন অসুস্থ অবস্থায় সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সে সময় তার ছেলে বাঁশের মই দিয়ে বহন করে তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলেও, এবার হাসপাতালে ভর্তি করার পর আর তাকে নিতে আসেননি এবং তার কোনো খোঁজখবরও নিচ্ছেন না। ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার জানান, বৃদ্ধার বাড়ি সরাইল সদরের উচালিয়াপাড়া গ্রামে এবং তার একজন ছেলে রয়েছে। তবে ছেলেটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে পাওয়া গেলে বিস্তারিত জেনে আইনি ও সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, বৃদ্ধার অসহায়ত্ব দেখে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সংগঠনটির তত্ত্বাবধানে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তার প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবার, পানি, চাটাই ও বালিশসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আজাহার উদ্দিন জানান, পরিবারের কেউ দায়িত্ব না নিলে সংগঠনের উদ্যোগে তার চিকিৎসা চালিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করা হবে এবং পরবর্তীতে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, সন্তানরা যেন তাদের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, এটি আমাদের সবার মানবিক দায়িত্ব। সেই সাথে বৃদ্ধা মায়ের পরিচয় ও পরিবার খুঁজে পেতে সমাজের সচেতন মানুষদের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্তান থাকার পরও অসহায় বৃদ্ধা ফুলির পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

আপডেট সময় : ০২:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ০৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়াসরাইলে সন্তান ও পরিবার থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একাকী ও অসহায় দিন কাটাচ্ছেন ৭০ বছরের বেশি বয়সী বৃদ্ধা ফুলি। শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তিনি নিজের নাম-পরিচয়ও ঠিকমতো বলতে পারছেন না। গত বুধবার বিকেলে সরাইল সদর ইউনিয়নের বড্ডাপাড়া গরুর বাজারের সামনে তাকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সরাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সচালক জাকিরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্যকর্মী রাসেল চৌধুরী তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও বৃদ্ধা ফুলি দীর্ঘদিন অসুস্থ অবস্থায় সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সে সময় তার ছেলে বাঁশের মই দিয়ে বহন করে তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলেও, এবার হাসপাতালে ভর্তি করার পর আর তাকে নিতে আসেননি এবং তার কোনো খোঁজখবরও নিচ্ছেন না। ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার জানান, বৃদ্ধার বাড়ি সরাইল সদরের উচালিয়াপাড়া গ্রামে এবং তার একজন ছেলে রয়েছে। তবে ছেলেটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে পাওয়া গেলে বিস্তারিত জেনে আইনি ও সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, বৃদ্ধার অসহায়ত্ব দেখে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সংগঠনটির তত্ত্বাবধানে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তার প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবার, পানি, চাটাই ও বালিশসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আজাহার উদ্দিন জানান, পরিবারের কেউ দায়িত্ব না নিলে সংগঠনের উদ্যোগে তার চিকিৎসা চালিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করা হবে এবং পরবর্তীতে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, সন্তানরা যেন তাদের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, এটি আমাদের সবার মানবিক দায়িত্ব। সেই সাথে বৃদ্ধা মায়ের পরিচয় ও পরিবার খুঁজে পেতে সমাজের সচেতন মানুষদের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh