ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পিটিআইয়ের ইসলামাবাদ লংমার্চ: কৌশলগত অনিশ্চয়তা ও নেতৃত্বের বিভক্তি কুষ্টিয়ায় ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল করিমন চালকের কপ৩১-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের আলোচনা তাড়াশে গরু চুরি ঠেকাতে বাঁশকল চেকপোস্ট, পরিদর্শনে পুলিশ সুপার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাফেটেরিয়া মাত্র একটি, আসন ৬০টি জামালগঞ্জে ৪ স্টোন ক্রাশারকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা জাতীয় স্বার্থেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন সিরাজগঞ্জে সাইবার সুরক্ষা ও সিআর মামলায় ৩ আসামি আদালতে প্রেরণ প্রশাসনিক কারণে শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার তাড়াশে গভীর রাতে বাঁশকল ডিউটি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বহুল আলোচিত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নতুন করে তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব আহমেদ। এর আগে মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ জানান, পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আদেশ দেওয়া হয়েছে। নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর তিনি দ্রুত তদন্তের কাজ শুরু করবেন এবং আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের চেষ্টা করবেন।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এখন থেকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তিনি আরও বলেন, অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনের স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে, তবে ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিহত অপ্রতীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে বর্ডার গার্ড হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। ওই দিন তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই তার বাবা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অপ্রতীমের মুঠোফোনের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসানকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া, জড়িত সন্দেহে মো. সিয়ামকেও (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতীমকে মাথায় বাঁশ ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর ওই তিনজন তার মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই দিন সিয়াম ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অপর তিনজন কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আদালতের আদেশে ফাহাদ ও কামরুলকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অপর দুই আসামি তুহিন ও সিয়াম বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

আপডেট সময় : ০২:০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বহুল আলোচিত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নতুন করে তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব আহমেদ। এর আগে মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ জানান, পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আদেশ দেওয়া হয়েছে। নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর তিনি দ্রুত তদন্তের কাজ শুরু করবেন এবং আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের চেষ্টা করবেন।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এখন থেকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তিনি আরও বলেন, অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনের স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে, তবে ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিহত অপ্রতীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে বর্ডার গার্ড হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। ওই দিন তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই তার বাবা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অপ্রতীমের মুঠোফোনের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসানকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া, জড়িত সন্দেহে মো. সিয়ামকেও (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতীমকে মাথায় বাঁশ ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর ওই তিনজন তার মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই দিন সিয়াম ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অপর তিনজন কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আদালতের আদেশে ফাহাদ ও কামরুলকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অপর দুই আসামি তুহিন ও সিয়াম বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh