সৌদি আরবের সুরক্ষায় পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি সেনাপ্রধানদের জরুরি বৈঠক
- আপডেট সময় : ০২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লাগাতার হামলার মুখে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সেনাপ্রধানদের মধ্যে এক জরুরি বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ঐতিহাসিক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বৈঠকে পবিত্র মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হুতিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এ সময় নেতারা জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে রিয়াদের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্তানুযায়ী, জোটভুক্ত কোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই চুক্তির অধীনে সৌদি আরবকে কীভাবে সর্বাত্মক সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দেয়া যায়, তা নির্ধারণ করতেই তিন দেশের সেনাপ্রধানদের এই জরুরি বৈঠক ডাকা হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে জোটের স্থায়ী সচিবালয়, বিভিন্ন কমিটি এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানিয়েছে, তুরস্কের সেনাপ্রধান জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোওলু সৌদি আরব সফর করবেন। এই সফরে তিনি সৌদি ও পাকিস্তানি সেনাপ্রধানদের সঙ্গে জরুরি সামরিক বৈঠকে মিলিত হবেন। এদিকে, সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন যৌথ বাহিনীর প্রতি একাত্মতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সেনাদের যেকোনো আগ্রাসন দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহত করতে ধৈর্য ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। তীব্র সংঘাতের মধ্যেও এই তিন মিত্র দেশ মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।





























