ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের বৈঠক শিশু নাফিস অপহরণ মামলার আসামির শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন তিন দিনে ১১৯ কোটি রুপি আয় করে রেকর্ড গড়ল ‘দ্য প্যারাডাইস’ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: জমি নিয়ে বিবাদের ইঙ্গিত পুলিশের সুনামগঞ্জের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন এমদাদুল হক আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টা, অস্ত্র নিয়ে হামলা ও ভাঙচুর সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, যান চলাচল বিঘ্নিত কটিয়াদীতে ডিউটিরত অবস্থায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল আহত দুর্ঘটনা না ঘটলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: জ্বালানি মন্ত্রী

শনিবার থেকে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, লক্ষ্য ৩৪ লাখ শিশু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশজুড়ে দ্বিতীয় দফার হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন আগামী শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও টিকা দেওয়া হবে। এবার সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহায়তায় গত এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত প্রথম দফার ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জন ছিল ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ।

তবে পরবর্তী সময়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচির সময় দেখা যায়, প্রায় ৪৩ লাখ শিশু টিকাদানের বাইরে রয়ে গেছে। এর পর মপ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আরও ১৯ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়। বর্তমানে আরও ২৪ লাখ শিশু টিকার বাইরে রয়েছে এবং গত তিন মাসে নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করেছে এমন আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

টিকার মজুত সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরও ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগের ১৫ লাখ ডোজসহ বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। ১০ শতাংশ অপচয় হিসাব করলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা ব্যবহারযোগ্য থাকবে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অনেক বেশি। ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পরও নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা শিশুদের জন্য মপ-আপ টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের পরিচালক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই কর্মসূচি সফল করতে যুক্ত থাকবেন।

এদিকে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হামের টিকার গুরুত্ব তুলে ধরে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য হাম-রুবেলার এমআর ভ্যাকসিন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী ৯ ও ১৫ মাস বয়সে নির্ধারিত দুটি ডোজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের অতিরিক্ত ডোজও শিশুদের দেওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শনিবার থেকে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, লক্ষ্য ৩৪ লাখ শিশু

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশজুড়ে দ্বিতীয় দফার হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন আগামী শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও টিকা দেওয়া হবে। এবার সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহায়তায় গত এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত প্রথম দফার ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জন ছিল ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ।

তবে পরবর্তী সময়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচির সময় দেখা যায়, প্রায় ৪৩ লাখ শিশু টিকাদানের বাইরে রয়ে গেছে। এর পর মপ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আরও ১৯ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়। বর্তমানে আরও ২৪ লাখ শিশু টিকার বাইরে রয়েছে এবং গত তিন মাসে নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করেছে এমন আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

টিকার মজুত সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরও ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগের ১৫ লাখ ডোজসহ বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। ১০ শতাংশ অপচয় হিসাব করলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা ব্যবহারযোগ্য থাকবে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অনেক বেশি। ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পরও নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা শিশুদের জন্য মপ-আপ টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের পরিচালক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই কর্মসূচি সফল করতে যুক্ত থাকবেন।

এদিকে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হামের টিকার গুরুত্ব তুলে ধরে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য হাম-রুবেলার এমআর ভ্যাকসিন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী ৯ ও ১৫ মাস বয়সে নির্ধারিত দুটি ডোজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের অতিরিক্ত ডোজও শিশুদের দেওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh