ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে একরাতে ৬২৪ জন আটক বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ

সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে, বাদ পড়ছেন আওয়ামীপন্থীরা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা ও জেলা পর্যায়ে গঠিত সব কমিটি পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব বিদ্যমান কমিটি থেকে আওয়ামীপন্থীদের সরিয়ে দিয়ে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পুনর্গঠিত প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত একজন নারী হওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ১৮ আগস্ট এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। কার্যালয়ের পরিচালক আশরাফুল ইসলামের সই করা ওই চিঠিতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সভাপতিত্বে পরিচালিত ৯৮টি কমিটি পুনর্গঠন করতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত অধিকাংশ কমিটিই কয়েক বছর আগের। এমনকি কিছু কিছু কমিটির প্রজ্ঞাপন ও কার্যক্রমের সঠিক তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, যেসব কমিটির সভা দীর্ঘদিন ধরে অনুষ্ঠিত হয় না এবং দ্বিতীয়ত, যেসব কমিটিতে এখনো আওয়ামীপন্থীরা রয়ে গেছেন। গত ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ ঘরানার অনেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন কিংবা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। ফলে তাঁরা কমিটির সভায় অংশ নিতে পারছেন না। আবার অনেক জায়গায় তাঁদের বৈঠকে ডাকা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে। এই বাস্তবতায় পুরোনো কমিটি বহাল রেখে সরকারি কার্যক্রম সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ায় কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জেলা প্রশাসক একটি জেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির’ উদাহরণ দিয়ে জানান, তাঁর জেলায় এই কমিটির সভাপতি পদে যিনি আছেন, তাঁকে সভায় ডাকা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই কমিটি দ্রুত পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এসব কমিটিতে এমন কিছু ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যাদের মনোভাবের সঙ্গে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের মিল নেই। তাঁদেরও এখন এসব কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওই চিঠিতে সরাসরি আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বাদ দেওয়ার কথা উল্লেখ করা না হলেও, বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য একজন জেলা প্রশাসক জানান, দেশে যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন এসব কমিটিতে তাদের সমর্থকদের অন্তর্ভুক্ত করার রেওয়াজ চলে আসছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অনেক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়নি এবং আগের সরকারের প্রতিনিধিরাই বহাল ছিলেন। এখন সেগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি বা আহ্বায়ক এই তিনজনকে মনোনয়ন দেবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে সরকারি প্রতিনিধিদের বাইরে আগের মতোই পাঁচজন সদস্য রাখা হবে, যাদের মধ্যে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একজন সাংবাদিক এবং বাকি তিনজন রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠির তালিকায় থাকা যে ৯৮টি কমিটির সভাপতি সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসিরা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি, জেলা কৃষি উন্নয়নবিষয়ক কোর কমিটি, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি, ধান সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটি, ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও ফল প্রদর্শনী উদ্‌যাপন কমিটি, আম সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ–সংক্রান্ত কমিটি, বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি, ওএমএস ডিলার নিয়োগ-সংক্রান্ত জেলা কমিটি, জেলা যুব উন্নয়ন কমিটি, যুব সংগঠনকে অনুদান দেওয়ার আবেদন যাচাই-বাছাই কমিটি, ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রদান-সংক্রান্ত কমিটি এবং জাতীয় যুব পুরস্কার-সংক্রান্ত জেলা কমিটি। সরকারের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই কমিটিগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি কার্যক্রম গতিশীল করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে, বাদ পড়ছেন আওয়ামীপন্থীরা

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা ও জেলা পর্যায়ে গঠিত সব কমিটি পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব বিদ্যমান কমিটি থেকে আওয়ামীপন্থীদের সরিয়ে দিয়ে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পুনর্গঠিত প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত একজন নারী হওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ১৮ আগস্ট এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। কার্যালয়ের পরিচালক আশরাফুল ইসলামের সই করা ওই চিঠিতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সভাপতিত্বে পরিচালিত ৯৮টি কমিটি পুনর্গঠন করতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত অধিকাংশ কমিটিই কয়েক বছর আগের। এমনকি কিছু কিছু কমিটির প্রজ্ঞাপন ও কার্যক্রমের সঠিক তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, যেসব কমিটির সভা দীর্ঘদিন ধরে অনুষ্ঠিত হয় না এবং দ্বিতীয়ত, যেসব কমিটিতে এখনো আওয়ামীপন্থীরা রয়ে গেছেন। গত ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ ঘরানার অনেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন কিংবা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। ফলে তাঁরা কমিটির সভায় অংশ নিতে পারছেন না। আবার অনেক জায়গায় তাঁদের বৈঠকে ডাকা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে। এই বাস্তবতায় পুরোনো কমিটি বহাল রেখে সরকারি কার্যক্রম সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ায় কমিটিগুলো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জেলা প্রশাসক একটি জেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির’ উদাহরণ দিয়ে জানান, তাঁর জেলায় এই কমিটির সভাপতি পদে যিনি আছেন, তাঁকে সভায় ডাকা হলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই কমিটি দ্রুত পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এসব কমিটিতে এমন কিছু ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যাদের মনোভাবের সঙ্গে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের মিল নেই। তাঁদেরও এখন এসব কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওই চিঠিতে সরাসরি আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বাদ দেওয়ার কথা উল্লেখ করা না হলেও, বিদ্যমান সব কমিটি পুনর্গঠন করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য একজন জেলা প্রশাসক জানান, দেশে যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন এসব কমিটিতে তাদের সমর্থকদের অন্তর্ভুক্ত করার রেওয়াজ চলে আসছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অনেক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়নি এবং আগের সরকারের প্রতিনিধিরাই বহাল ছিলেন। এখন সেগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি কমিটিতে স্থানীয় পর্যায়ের তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি বা আহ্বায়ক এই তিনজনকে মনোনয়ন দেবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে সরকারি প্রতিনিধিদের বাইরে আগের মতোই পাঁচজন সদস্য রাখা হবে, যাদের মধ্যে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একজন সাংবাদিক এবং বাকি তিনজন রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠির তালিকায় থাকা যে ৯৮টি কমিটির সভাপতি সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসিরা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি, জেলা কৃষি উন্নয়নবিষয়ক কোর কমিটি, জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি, ধান সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটি, ফলদ বৃক্ষরোপণ পক্ষ ও ফল প্রদর্শনী উদ্‌যাপন কমিটি, আম সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ–সংক্রান্ত কমিটি, বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি, ওএমএস ডিলার নিয়োগ-সংক্রান্ত জেলা কমিটি, জেলা যুব উন্নয়ন কমিটি, যুব সংগঠনকে অনুদান দেওয়ার আবেদন যাচাই-বাছাই কমিটি, ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রদান-সংক্রান্ত কমিটি এবং জাতীয় যুব পুরস্কার-সংক্রান্ত জেলা কমিটি। সরকারের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই কমিটিগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি কার্যক্রম গতিশীল করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo