ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্কের শানলিউরফায় ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত ইসলামাবাদে পিটিআইয়ের মিছিল ঘিরে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করবে সরকার মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের

হলিউডে দক্ষিণ এশীয়দের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে মুখ খুললেন মৈত্রেয়ী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘নেভার হ্যাভ আই এভার’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া তামিল বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অভিনেত্রী মৈত্রেয়ী রামকৃষ্ণন হলিউডে দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের অবস্থান ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। ২৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর ক্যারিয়ার, অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এবং হলিউডে দক্ষিণ এশীয়দের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। নেটফ্লিক্সের নতুন সিনেমা ‘বেস্ট অব দ্য বেস্ট’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি এই প্রতিনিধিত্বের ধারাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছেন।

মৈত্রেয়ীর মতে, গত কয়েক বছরে হলিউডের সিনেমা ও টেলিভিশনে দক্ষিণ এশীয়দের উপস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে কোনো চরিত্রের কেবল সাংস্কৃতিক পরিচয়ই নয়, বরং তার নিজস্ব ব্যক্তিত্ব ও বৈশিষ্ট্যকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে এমন কিছু চরিত্র দেখা গেছে যার সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় দর্শকরা নিজেদের পুরোপুরি মেলাতে পারতেন না। তবে তাঁর বিশ্বাস, সেই চরিত্রগুলোই পরবর্তী সময়ে আরও বাস্তব ও বৈচিত্র্যময় প্রতিনিধিত্বের পথ তৈরি করতে সাহায্য করেছে।

বর্তমান অবস্থানে পৌঁছাতে দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে বলে মনে করেন মৈত্রেয়ী। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। পর্দায় বড় কোনো চরিত্র তো দূরের কথা, ছোটখাটো পার্শ্বচরিত্র পাওয়ার জন্যও তাঁদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতো। পূর্বসূরিদের সেই লড়াই ও সাফল্যের ধারাবাহিকতাতেই আজকের প্রজন্ম হলিউডে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

‘নেভার হ্যাভ আই এভার’ সিরিজের সাফল্যের পর তরুণ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মৈত্রেয়ী। তবে তিনি মনে করেন, পর্দায় কেবল দক্ষিণ এশীয় কোনো চরিত্রের উপস্থিতিই যথেষ্ট নয়। বরং সেই চরিত্রের মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় মানুষের বৈচিত্র্য, সংস্কৃতি ও বাস্তব জীবনের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা ফুটে ওঠা জরুরি। তাই শুধু পর্দায় নিজেদের দেখা যাওয়া নিয়ে সন্তুষ্ট না থেকে, দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের নিজেদের গল্প নিজেদের মতো করে বলার সুযোগ তৈরি করার ওপর জোর দেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

হলিউডে দক্ষিণ এশীয়দের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে মুখ খুললেন মৈত্রেয়ী

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘নেভার হ্যাভ আই এভার’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া তামিল বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অভিনেত্রী মৈত্রেয়ী রামকৃষ্ণন হলিউডে দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের অবস্থান ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। ২৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর ক্যারিয়ার, অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এবং হলিউডে দক্ষিণ এশীয়দের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। নেটফ্লিক্সের নতুন সিনেমা ‘বেস্ট অব দ্য বেস্ট’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি এই প্রতিনিধিত্বের ধারাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছেন।

মৈত্রেয়ীর মতে, গত কয়েক বছরে হলিউডের সিনেমা ও টেলিভিশনে দক্ষিণ এশীয়দের উপস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে কোনো চরিত্রের কেবল সাংস্কৃতিক পরিচয়ই নয়, বরং তার নিজস্ব ব্যক্তিত্ব ও বৈশিষ্ট্যকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে এমন কিছু চরিত্র দেখা গেছে যার সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় দর্শকরা নিজেদের পুরোপুরি মেলাতে পারতেন না। তবে তাঁর বিশ্বাস, সেই চরিত্রগুলোই পরবর্তী সময়ে আরও বাস্তব ও বৈচিত্র্যময় প্রতিনিধিত্বের পথ তৈরি করতে সাহায্য করেছে।

বর্তমান অবস্থানে পৌঁছাতে দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে বলে মনে করেন মৈত্রেয়ী। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। পর্দায় বড় কোনো চরিত্র তো দূরের কথা, ছোটখাটো পার্শ্বচরিত্র পাওয়ার জন্যও তাঁদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতো। পূর্বসূরিদের সেই লড়াই ও সাফল্যের ধারাবাহিকতাতেই আজকের প্রজন্ম হলিউডে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

‘নেভার হ্যাভ আই এভার’ সিরিজের সাফল্যের পর তরুণ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মৈত্রেয়ী। তবে তিনি মনে করেন, পর্দায় কেবল দক্ষিণ এশীয় কোনো চরিত্রের উপস্থিতিই যথেষ্ট নয়। বরং সেই চরিত্রের মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় মানুষের বৈচিত্র্য, সংস্কৃতি ও বাস্তব জীবনের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা ফুটে ওঠা জরুরি। তাই শুধু পর্দায় নিজেদের দেখা যাওয়া নিয়ে সন্তুষ্ট না থেকে, দক্ষিণ এশীয় শিল্পীদের নিজেদের গল্প নিজেদের মতো করে বলার সুযোগ তৈরি করার ওপর জোর দেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh