ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ কোটি মানুষ রক্তদানে সক্ষম, তবুও কেন দেশে রক্তের সংকট? হুতিদের হামলার মুখে প্রাসাদ বদলাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ৩৪ কোটি টাকার ম্যাটস এখন নেশাখোরদের আস্তানা, ৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২% ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯% হতে পারে নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্থা, ভিডিও ভাইরাল শারদীয় দুর্গাপূজায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে টানা ৪ দিনের ছুটি ধাপে ধাপে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণ করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে সংকুচিত হবে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি: আইএমএফ সোমেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের ইজারা বাতিল না হলে ১৯ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে অনশনের হুমকি

সদস্য দেশগুলোর জন্য উয়েফা ও কনকাকাফের ২১১ কোটি ডলারের দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026), ০৯: ১৯

ফিফার বিশাল নগদ তহবিল থেকে সদস্য দেশগুলোর জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর-মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফ। সংস্থা দুটি যৌথভাবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে একটি চিঠি পাঠিয়ে ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ১ কোটি ডলার বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৩ কোটি টাকার সমান। বাংলাদেশও এই সুবিধার আওতায় রয়েছে।

বিবিসি স্পোর্টের নজরে আসা এই চিঠিতে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩-২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার স্বাভাবিক প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থকে ‘অনেকটাই বেশি’ বলে দাবি করেছে সংস্থা দুটি।

এই অতিরিক্ত অর্থ সদস্য দেশগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০২৭-৩০ চক্রে নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত হিসেবে এই এককালীন অর্থ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ২১১টি সদস্য সংস্থাকে ১ কোটি ডলার করে দিলে ফিফার মোট ব্যয় হবে ২১১ কোটি ডলার।

ফিফাকে ঘিরে সাম্প্রতিক নানা বিতর্কের মধ্যেই এই দাবি সামনে এল। এর মাত্র একদিন আগে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) চেয়ারম্যান ডেবি হিউইট ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ও ফিফার মহাসচিব মাটিয়াস গ্রাফস্ট্রোমকে চিঠি পাঠিয়ে একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশের তাগিদ দেন। আগামী ১৫ অক্টোবরের পরবর্তী ফিফা কাউন্সিল সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ফিফার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হিউইট আরও দাবি করেন, বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা বাতিলে ফিফার সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে ফিফা কাউন্সিলকে লিখিত জবাব দিতে হবে। এদিকে, ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো আগামী মার্চে চতুর্থবারের মতো ফিফা সভাপতি পদের নির্বাচনে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৮ নভেম্বর।

মূলত গত বিশ্বকাপের পর বাতিল হয়ে যাওয়া ফিফার একটি বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে ফুটবল প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামের ওই প্রস্তাবিত উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিট বিক্রির স্বত্ব পরিচালনার জন্য একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা। ওই কোম্পানির ২১ শতাংশ শেয়ার একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন জাতীয় ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে মাত্র চার দিনের মাথায় তা বাতিল করতে বাধ্য হয় ফিফা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সদস্য দেশগুলোর জন্য উয়েফা ও কনকাকাফের ২১১ কোটি ডলারের দাবি

আপডেট সময় : ১০:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026), ০৯: ১৯

ফিফার বিশাল নগদ তহবিল থেকে সদস্য দেশগুলোর জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর-মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফ। সংস্থা দুটি যৌথভাবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে একটি চিঠি পাঠিয়ে ২১১টি সদস্য দেশের প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ১ কোটি ডলার বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৩ কোটি টাকার সমান। বাংলাদেশও এই সুবিধার আওতায় রয়েছে।

বিবিসি স্পোর্টের নজরে আসা এই চিঠিতে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩-২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার স্বাভাবিক প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থকে ‘অনেকটাই বেশি’ বলে দাবি করেছে সংস্থা দুটি।

এই অতিরিক্ত অর্থ সদস্য দেশগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০২৭-৩০ চক্রে নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত হিসেবে এই এককালীন অর্থ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ২১১টি সদস্য সংস্থাকে ১ কোটি ডলার করে দিলে ফিফার মোট ব্যয় হবে ২১১ কোটি ডলার।

ফিফাকে ঘিরে সাম্প্রতিক নানা বিতর্কের মধ্যেই এই দাবি সামনে এল। এর মাত্র একদিন আগে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) চেয়ারম্যান ডেবি হিউইট ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ও ফিফার মহাসচিব মাটিয়াস গ্রাফস্ট্রোমকে চিঠি পাঠিয়ে একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশের তাগিদ দেন। আগামী ১৫ অক্টোবরের পরবর্তী ফিফা কাউন্সিল সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ফিফার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হিউইট আরও দাবি করেন, বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা বাতিলে ফিফার সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে ফিফা কাউন্সিলকে লিখিত জবাব দিতে হবে। এদিকে, ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো আগামী মার্চে চতুর্থবারের মতো ফিফা সভাপতি পদের নির্বাচনে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৮ নভেম্বর।

মূলত গত বিশ্বকাপের পর বাতিল হয়ে যাওয়া ফিফার একটি বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে ফুটবল প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামের ওই প্রস্তাবিত উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিট বিক্রির স্বত্ব পরিচালনার জন্য একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা। ওই কোম্পানির ২১ শতাংশ শেয়ার একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন জাতীয় ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে মাত্র চার দিনের মাথায় তা বাতিল করতে বাধ্য হয় ফিফা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh