ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হ্যাকিং ও প্রতারণা থেকে বাঁচতে অনলাইনে মেনে চলুন ৬ নিয়ম তরুণরাই বাংলাদেশ: আগামীর নেতৃত্ব দেবে এই প্রজন্ম ভারতে ফুটবল সংস্কৃতি নেই, বিস্ফোরক মন্তব্য ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তির বিয়েতে বিপুল খরচ না করে দান করুন: শ্রুতি হাসান হুতি হামলার পর সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা মিসরের ৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি: গাড়িচাপায় নিহত শ্রমিকের ন্যায়বিচার কি অধরা? বিমান বাহিনীর ১৩২তম জেসিএসসি কোর্সের সনদপত্র বিতরণ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা ইরানের রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই সম্মিলনের থিম সং গাইলেন আরিফ

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কূপটির উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে, যা আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীরতার এই কূপটির খননকাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ এবং কামতা-২ নম্বর কূপ খননের জন্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের আরও চারটি কূপ থেকে মোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হতে পারে।

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়া বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে, যা আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে উৎপাদনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ৪ হাজার ৯২০ মিটার গভীরে পৌঁছেছে। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না থাকলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই কূপ থেকে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বিজিএফসিএলের। সব মিলিয়ে তিতাস-২৯, ৩০, ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং তিতাস-২৮ থেকে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বমোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিতাস-৩১ অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এটি থেকে নতুন করে আরও প্রায় দুই টিসিএফ গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা খনন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আপডেট সময় : ০২:৩৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কূপটির উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে, যা আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীরতার এই কূপটির খননকাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ এবং কামতা-২ নম্বর কূপ খননের জন্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের আরও চারটি কূপ থেকে মোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হতে পারে।

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়া বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে, যা আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে উৎপাদনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ৪ হাজার ৯২০ মিটার গভীরে পৌঁছেছে। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না থাকলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই কূপ থেকে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বিজিএফসিএলের। সব মিলিয়ে তিতাস-২৯, ৩০, ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং তিতাস-২৮ থেকে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বমোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিতাস-৩১ অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এটি থেকে নতুন করে আরও প্রায় দুই টিসিএফ গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা খনন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh