ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার আর কোনো সুযোগ নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নরসিংদীতে যুবলীগ নেতা মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রিপন গ্রেপ্তার চূড়ান্ত হলো ২০২৬ ব্যালন ডি’অর নির্বাচনের ভোটাভুটি নারায়ণগঞ্জে বিসিকের চাকরি মেলায় ৬৩৯টি পদের সুযোগ একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দুই মাসে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা শাড়িকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন তানজিন তিশা, অভিযোগ করলেন সম্মানহানির ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণই মূল লক্ষ্য: মমতা ভারতে ভিনিসিয়ুসের প্রথম সফর: গোয়ায় খেলেছিলেন অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্ট ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ হবে, তেলের দাম কমবে: ট্রাম্প

ব্যাংকের এমডিদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন কাঠামো দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই নির্দেশনার আওতায় এমডিদের মূল কর্মসম্পাদন সূচক বা কেপিআই (KPI) মূল্যায়ন করা হবে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি সব ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এমডিদের ছয় মাসের কর্মদক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তাদের নিয়োগ, পুনর্নিয়োগ, মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বেতন-ভাতা ও প্রণোদনা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমানে দায়িত্বে থাকা এমডিদের প্রথম মূল্যায়নকাল ধরা হয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এরপর নতুন কোনো এমডি নিয়োগ পেলে তার ক্ষেত্রেও একইভাবে পরবর্তী ছয় মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে।

নতুন এই কাঠামোয় ব্যাংকের সার্বিক অবস্থা ও কর্মদক্ষতা যাচাইয়ে ১০০ নম্বরকে বিভিন্ন সূচকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা, জরুরি তারল্য এবং ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতার জন্য ২৫ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া খেলাপি ঋণ কমানো, অবলোপন করা ঋণ আদায় এবং শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার কাছে ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে আরও ২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিদর্শনসংক্রান্ত নির্দেশনা পরিপালন, অর্থপাচার প্রতিরোধ নীতিমালা অনুসরণ, তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল্যায়নের জন্য ২৫ নম্বর রাখা হয়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই), কৃষি, পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন, ডিজিটাল সেবার প্রসার, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তির হারের ওপর ১৫ নম্বর দেওয়া হবে। অবশিষ্ট ১০ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে ব্যাংকের মুনাফা অর্জন ও পরিচালন ব্যয়ের দক্ষতার জন্য।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আগের প্রান্তিকের সূচককে ভিত্তি ধরে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। পর্ষদের অনুমোদনের পর সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হবে। কোনো সূচকে কর্মদক্ষতা খারাপ হলে পেনাল্টি বা নেতিবাচক নম্বর দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে এই নতুন কাঠামোয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যাংকের এমডিদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে নতুন কাঠামো দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই নির্দেশনার আওতায় এমডিদের মূল কর্মসম্পাদন সূচক বা কেপিআই (KPI) মূল্যায়ন করা হবে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি সব ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এমডিদের ছয় মাসের কর্মদক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তাদের নিয়োগ, পুনর্নিয়োগ, মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বেতন-ভাতা ও প্রণোদনা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমানে দায়িত্বে থাকা এমডিদের প্রথম মূল্যায়নকাল ধরা হয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এরপর নতুন কোনো এমডি নিয়োগ পেলে তার ক্ষেত্রেও একইভাবে পরবর্তী ছয় মাসের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে।

নতুন এই কাঠামোয় ব্যাংকের সার্বিক অবস্থা ও কর্মদক্ষতা যাচাইয়ে ১০০ নম্বরকে বিভিন্ন সূচকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা, জরুরি তারল্য এবং ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতার জন্য ২৫ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া খেলাপি ঋণ কমানো, অবলোপন করা ঋণ আদায় এবং শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার কাছে ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে আরও ২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিদর্শনসংক্রান্ত নির্দেশনা পরিপালন, অর্থপাচার প্রতিরোধ নীতিমালা অনুসরণ, তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল্যায়নের জন্য ২৫ নম্বর রাখা হয়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই), কৃষি, পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন, ডিজিটাল সেবার প্রসার, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তির হারের ওপর ১৫ নম্বর দেওয়া হবে। অবশিষ্ট ১০ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে ব্যাংকের মুনাফা অর্জন ও পরিচালন ব্যয়ের দক্ষতার জন্য।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আগের প্রান্তিকের সূচককে ভিত্তি ধরে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। পর্ষদের অনুমোদনের পর সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হবে। কোনো সূচকে কর্মদক্ষতা খারাপ হলে পেনাল্টি বা নেতিবাচক নম্বর দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে এই নতুন কাঠামোয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din