ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

শিল্পে গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন টার্মিনাল ও ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শিল্প খাতে সাময়িক বা আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং ১৫০টি কূপ খননের সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন ও অনুসন্ধানে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১৫০টি কূপ খনন, ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের লক্ষ্যে গত ২৪ মে আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে বিড দাখিলের সময়সীমা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থলভাগে বিনিয়োগ আকর্ষণে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬’ প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে।

বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিল্প খাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সেজন্য মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। পাশাপাশি পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

ভোলার গ্যাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস মূল নেটওয়ার্কে আনতে অন্তত সাত বছর সময় লাগবে। তাই স্থানীয়ভাবে শিল্পায়নের লক্ষ্যে ভোলায় গ্যাসনির্ভর সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস মূল ভূখণ্ডে এনে শিল্পাঞ্চলে সরবরাহের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে, যেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রাধিকার পাবে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

শিল্পে গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন টার্মিনাল ও ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিল্প খাতে সাময়িক বা আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং ১৫০টি কূপ খননের সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন ও অনুসন্ধানে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১৫০টি কূপ খনন, ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের লক্ষ্যে গত ২৪ মে আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে বিড দাখিলের সময়সীমা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থলভাগে বিনিয়োগ আকর্ষণে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬’ প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে।

বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিল্প খাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সেজন্য মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। পাশাপাশি পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

ভোলার গ্যাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস মূল নেটওয়ার্কে আনতে অন্তত সাত বছর সময় লাগবে। তাই স্থানীয়ভাবে শিল্পায়নের লক্ষ্যে ভোলায় গ্যাসনির্ভর সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস মূল ভূখণ্ডে এনে শিল্পাঞ্চলে সরবরাহের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে, যেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রাধিকার পাবে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo