ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনাপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু এবং বিএনপি নেতা মো. ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা একই পক্ষের হওয়ায় বিরোধটি আরও ঘনীভূত হয়। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ছরোয়ার হোসেনের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে জড়ো হয়। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে এবং পুলিশ পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ২৭আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ২৮

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনাপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু এবং বিএনপি নেতা মো. ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা একই পক্ষের হওয়ায় বিরোধটি আরও ঘনীভূত হয়। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ছরোয়ার হোসেনের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে জড়ো হয়। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও মো. ছরোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে এবং পুলিশ পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ২৭আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ২৮

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh