ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায় কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে একরাতে ৬২৪ জন আটক বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬ শতাংশ, ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ হিসাবে, আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.২৬ শতাংশে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। সোমবার বিবিএস মূল্যস্ফীতির এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এর আগে জুলাই মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৩২ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১৭ শতাংশ, যার পর থেকে এটি আবার বাড়তে শুরু করেছিল। টানা তিন মাস ৯ শতাংশের ওপরে থাকার পর জুলাইয়ে এসে তা কমতে শুরু করে এবং আগস্টেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব এখনো বাজারে রয়ে গেছে, যা সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর খরচের চাপ বজায় রেখেছে।

আগস্ট মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭.০২ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে তা দাঁড়িয়েছে ৯.৩২ শতাংশে। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৬৮ শতাংশ। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়েছে, যার ফলে বাজারে শাকসবজি ও মাছ-মাংসের দাম এখনও চড়া রয়েছে। আয় না বাড়ায় জিনিসপত্রের এই বাড়তি দামের কারণে সাধারণ মানুষের সংসার চালানোর খরচ অনেক বেড়ে গেছে।

মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হারও কমেছে। আগস্ট মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার দাঁড়িয়েছে ৮.০৫ শতাংশে, যা জুলাই মাসে ছিল ৮.২২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হচ্ছে অথবা খাবার, পোশাক ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতের খরচ কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলেও আগস্টে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গ্রামীণ এলাকায় আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৩১ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। গ্রামে আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৫৯ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে (জুলাইয়ে ছিল যথাক্রমে ৭.১৪ শতাংশ ও ৯.৫৩ শতাংশ)। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.২০ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮.২৪ শতাংশ। শহরে আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০৪ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৯৭ শতাংশ (জুলাইয়ে ছিল যথাক্রমে ৭.২১ শতাংশ ও ৮.৯০ শতাংশ)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬ শতাংশ, ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ হিসাবে, আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.২৬ শতাংশে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। সোমবার বিবিএস মূল্যস্ফীতির এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এর আগে জুলাই মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৩২ শতাংশ। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১৭ শতাংশ, যার পর থেকে এটি আবার বাড়তে শুরু করেছিল। টানা তিন মাস ৯ শতাংশের ওপরে থাকার পর জুলাইয়ে এসে তা কমতে শুরু করে এবং আগস্টেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব এখনো বাজারে রয়ে গেছে, যা সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর খরচের চাপ বজায় রেখেছে।

আগস্ট মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭.০২ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে তা দাঁড়িয়েছে ৯.৩২ শতাংশে। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৬৮ শতাংশ। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়েছে, যার ফলে বাজারে শাকসবজি ও মাছ-মাংসের দাম এখনও চড়া রয়েছে। আয় না বাড়ায় জিনিসপত্রের এই বাড়তি দামের কারণে সাধারণ মানুষের সংসার চালানোর খরচ অনেক বেড়ে গেছে।

মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হারও কমেছে। আগস্ট মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার দাঁড়িয়েছে ৮.০৫ শতাংশে, যা জুলাই মাসে ছিল ৮.২২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হচ্ছে অথবা খাবার, পোশাক ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতের খরচ কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলেও আগস্টে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গ্রামীণ এলাকায় আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৩১ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। গ্রামে আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৫৯ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে (জুলাইয়ে ছিল যথাক্রমে ৭.১৪ শতাংশ ও ৯.৫৩ শতাংশ)। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.২০ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮.২৪ শতাংশ। শহরে আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০৪ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৯৭ শতাংশ (জুলাইয়ে ছিল যথাক্রমে ৭.২১ শতাংশ ও ৮.৯০ শতাংশ)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin