ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

মার্টিন ম্যাকডোনার নতুন সিনেমায় সিআইএ-র পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আইরিশ পরিচালক মার্টিন ম্যাকডোনার নতুন সিনেমা 'ওয়াইল্ড হর্স নাইন' মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র কর্মকাণ্ড নিয়ে হলিউডের চিরাচরিত ধারার বাইরে গিয়ে এক তীক্ষ্ণ ও রাজনৈতিক সমালোচনামূলক গল্প তুলে ধরেছে। জন মালকোভিচ ও স্যাম রকওয়েল অভিনীত এই সিনেমাটি ১৯৭৩ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, যেখানে তারা দুই সিআইএ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোয় কর্মরত এই দুই কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব ছিল বিদেশি সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং বামপন্থী হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের হত্যার মতো অভিযান পরিচালনা করা। তারা তৎকালীন চিলির প্রেসিডেন্ট সালভাদর আয়েন্দেকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত ছিলেন।

সিনেমার মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় যখন অবসরের কাছাকাছি থাকা কর্মকর্তা ক্রিস তার অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। চিলির ইস্টার আইল্যান্ডে ছুটিতে গিয়ে ক্রিস তার স্মৃতিকথা লিখতে শুরু করেন এবং অচেনা মানুষদের কাছে নিজের গোপন কর্মকাণ্ড ফাঁস করতে থাকেন। এতে সিআইএ-র সান্তিয়াগো প্রধান এমজে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং ক্রিসকে ইস্টার আইল্যান্ড থেকে জীবিত ফিরতে না দেওয়ার নির্দেশ দেন লিকে। এই টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র, বন্ধুত্ব এবং মানুষের বিবেক নিয়ে গভীর ও দীর্ঘ কথোপকথন উঠে এসেছে।

জন মালকোভিচ ক্রিসের চরিত্রে এক ভঙ্গুর ও অনুতপ্ত মানুষের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাকে অস্কারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ম্যাকডোনার আগের সিনেমা 'ইন ব্রুজেস' বা 'দ্য ব্যানশিজ অব ইনিশেরিন'-এর মতো এটিও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সাহসী। পরিচালক নিজেই এটিকে তার সবচেয়ে রাজনৈতিক সিনেমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। হলিউডের অনেক সিনেমা সিআইএ-কে নায়ক হিসেবে দেখালেও, 'ওয়াইল্ড হর্স নাইন' সংস্থাটির অন্ধকার দিকগুলোকে সরাসরি তুলে ধরেছে। সিনেমাটি কেবল কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কথা বলে না, বরং সিআইএ-র কাঠামোগত কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ ও অন্যায্য দিকগুলোকেও সামনে নিয়ে আসে। এখন দেখার বিষয়, এই তীব্র রাজনৈতিক বার্তা মার্কিন দর্শক ও অস্কার ভোটাররা কীভাবে গ্রহণ করেন।

জন মালকোভিচ নিজেও এর আগে সিআইএ-সংশ্লিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৯৩ সালের ‘ইন দ্য লাইন অব ফায়ার’ সিনেমায় তিনি সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন। ‘বার্ন আফটার রিডিং’ সিনেমাতেও তাকে দেখা যায় এক সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার ভূমিকায়, যে নিজের স্মৃতিকথা প্রকাশ করতে চায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্টিন ম্যাকডোনার নতুন সিনেমায় সিআইএ-র পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা

আপডেট সময় : ১২:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইরিশ পরিচালক মার্টিন ম্যাকডোনার নতুন সিনেমা 'ওয়াইল্ড হর্স নাইন' মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র কর্মকাণ্ড নিয়ে হলিউডের চিরাচরিত ধারার বাইরে গিয়ে এক তীক্ষ্ণ ও রাজনৈতিক সমালোচনামূলক গল্প তুলে ধরেছে। জন মালকোভিচ ও স্যাম রকওয়েল অভিনীত এই সিনেমাটি ১৯৭৩ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, যেখানে তারা দুই সিআইএ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোয় কর্মরত এই দুই কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব ছিল বিদেশি সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং বামপন্থী হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের হত্যার মতো অভিযান পরিচালনা করা। তারা তৎকালীন চিলির প্রেসিডেন্ট সালভাদর আয়েন্দেকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত ছিলেন।

সিনেমার মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় যখন অবসরের কাছাকাছি থাকা কর্মকর্তা ক্রিস তার অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। চিলির ইস্টার আইল্যান্ডে ছুটিতে গিয়ে ক্রিস তার স্মৃতিকথা লিখতে শুরু করেন এবং অচেনা মানুষদের কাছে নিজের গোপন কর্মকাণ্ড ফাঁস করতে থাকেন। এতে সিআইএ-র সান্তিয়াগো প্রধান এমজে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং ক্রিসকে ইস্টার আইল্যান্ড থেকে জীবিত ফিরতে না দেওয়ার নির্দেশ দেন লিকে। এই টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র, বন্ধুত্ব এবং মানুষের বিবেক নিয়ে গভীর ও দীর্ঘ কথোপকথন উঠে এসেছে।

জন মালকোভিচ ক্রিসের চরিত্রে এক ভঙ্গুর ও অনুতপ্ত মানুষের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাকে অস্কারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ম্যাকডোনার আগের সিনেমা 'ইন ব্রুজেস' বা 'দ্য ব্যানশিজ অব ইনিশেরিন'-এর মতো এটিও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সাহসী। পরিচালক নিজেই এটিকে তার সবচেয়ে রাজনৈতিক সিনেমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। হলিউডের অনেক সিনেমা সিআইএ-কে নায়ক হিসেবে দেখালেও, 'ওয়াইল্ড হর্স নাইন' সংস্থাটির অন্ধকার দিকগুলোকে সরাসরি তুলে ধরেছে। সিনেমাটি কেবল কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কথা বলে না, বরং সিআইএ-র কাঠামোগত কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ ও অন্যায্য দিকগুলোকেও সামনে নিয়ে আসে। এখন দেখার বিষয়, এই তীব্র রাজনৈতিক বার্তা মার্কিন দর্শক ও অস্কার ভোটাররা কীভাবে গ্রহণ করেন।

জন মালকোভিচ নিজেও এর আগে সিআইএ-সংশ্লিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৯৩ সালের ‘ইন দ্য লাইন অব ফায়ার’ সিনেমায় তিনি সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন। ‘বার্ন আফটার রিডিং’ সিনেমাতেও তাকে দেখা যায় এক সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার ভূমিকায়, যে নিজের স্মৃতিকথা প্রকাশ করতে চায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin