ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী দিল্লি পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেন নেহা বোরা মোজাম্বিক থেকে ফেরার পথে বিমানে প্রাণ হারালেন বাঁশখালীর প্রবাসী সাজেক সড়কে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক দশমিনায় মা ইলিশ শিকারের দায়ে আট জেলের কারাদণ্ড জনগণের কাছে স্থানীয় সরকার ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান; সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব রোববার সন্ধ্যায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে বিএনপি, ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: সিজেপি আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ বাড়াতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

মীর কাসেম আলীর জনকল্যাণমূলক কাজের সুফল মানুষ পাবে: জামায়াত আমির

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ২২। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মীর কাসেম আলীর দশম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার অবদানের কথা স্মরণ করে এক বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি মীর কাসেম আলীর দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনকল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মীর কাসেম আলী আজীবন বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ইসলামী জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। এছাড়া ইসলামী ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নানা ধরনের ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার নেওয়া উদ্যোগগুলো ছিল যুগান্তকারী, যার সুফল মানুষ আজও ভোগ করছে। দেশের জনগণ কৃতজ্ঞচিত্তে তার এই অবদান স্মরণ রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই তৎকালীন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। তার ভাষ্যমতে, যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল তার সঙ্গে মীর কাসেম আলীর কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং সরকার কোনো অভিযোগই ক্যাঙ্গারু আদালতে প্রমাণ করতে পারেনি। সবশেষে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দাঈ ইলাল্লাহ হিসেবে মীর কাসেম আলী যে জনকল্যাণমূলক কাজের ধারা সূচনা করেছিলেন, তা ইনশাআল্লাহ সুদীর্ঘকাল অব্যাহত থাকবে। তিনি তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। জামায়াত আমির মহান আল্লাহর কাছে তার শাহাদাত কবুল করার জন্য এবং তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দেওয়ার জন্য দোয়া করেন। পরিশেষে, মীর কাসেম আলীর রেখে যাওয়া কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মীর কাসেম আলীর জনকল্যাণমূলক কাজের সুফল মানুষ পাবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০১:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ২২। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মীর কাসেম আলীর দশম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার অবদানের কথা স্মরণ করে এক বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি মীর কাসেম আলীর দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনকল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মীর কাসেম আলী আজীবন বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ইসলামী জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। এছাড়া ইসলামী ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নানা ধরনের ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার নেওয়া উদ্যোগগুলো ছিল যুগান্তকারী, যার সুফল মানুষ আজও ভোগ করছে। দেশের জনগণ কৃতজ্ঞচিত্তে তার এই অবদান স্মরণ রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই তৎকালীন আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। তার ভাষ্যমতে, যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল তার সঙ্গে মীর কাসেম আলীর কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং সরকার কোনো অভিযোগই ক্যাঙ্গারু আদালতে প্রমাণ করতে পারেনি। সবশেষে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দাঈ ইলাল্লাহ হিসেবে মীর কাসেম আলী যে জনকল্যাণমূলক কাজের ধারা সূচনা করেছিলেন, তা ইনশাআল্লাহ সুদীর্ঘকাল অব্যাহত থাকবে। তিনি তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। জামায়াত আমির মহান আল্লাহর কাছে তার শাহাদাত কবুল করার জন্য এবং তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দেওয়ার জন্য দোয়া করেন। পরিশেষে, মীর কাসেম আলীর রেখে যাওয়া কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh