ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ ইসরাইলকে আরও একঘরে করেছে: মারওয়ান বিশারা হ্যাকিং ও প্রতারণা থেকে বাঁচতে অনলাইনে মেনে চলুন ৬ নিয়ম তরুণরাই বাংলাদেশ: আগামীর নেতৃত্ব দেবে এই প্রজন্ম ভারতে ফুটবল সংস্কৃতি নেই, বিস্ফোরক মন্তব্য ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তির বিয়েতে বিপুল খরচ না করে দান করুন: শ্রুতি হাসান হুতি হামলার পর সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা মিসরের ৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি: গাড়িচাপায় নিহত শ্রমিকের ন্যায়বিচার কি অধরা? বিমান বাহিনীর ১৩২তম জেসিএসসি কোর্সের সনদপত্র বিতরণ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা ইরানের

পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের আহ্বান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, কৌশলগত বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বৈশ্বিক বাজারে পরিবেশগত ও টেকসই উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় জ্বালানি রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।

এইচএসবিসি, অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই), সুইডিশ দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের যৌথ উদ্যোগে ‘অ্যাডভান্সিং ডিকার্বনাইজেশন ফর অ্যাপারেল ইন আ চেঞ্জিং এনার্জি ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক এই উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড, প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বুধবার সুইডিশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে বক্তারা জানান, বৈশ্বিক পোশাক সরবরাহব্যবস্থা দ্রুত কার্বন নিঃসরণ কমানোর দিকে ধাবিত হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বাজারে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের শর্ত ক্রমেই কঠোর হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অপরিহার্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ বাড়ানো গেলে উৎপাদনকারীরা জ্বালানি ব্যয় ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে পারবেন, যা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা পূরণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিলিয়াস বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক উৎপাদন খাতের কার্বন নিঃসরণ কমাতে অর্থায়নের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের পোশাক খাতের কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমাতে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে এইচএসবিসি হোল্ডিংস-এর ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমসের গ্লোবাল প্রধান র‌্যান্ডলফ ব্রাজিয়ার এবং এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এইচএসবিসি-এর সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান জাস্টিন উও বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খল কম কার্বন নিঃসরণের ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তিনি বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিচ্ছন্ন উৎপাদনকে যুক্ত করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে টেকসই পোশাক সরবরাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতের বৈশ্বিক নেতৃত্ব ধরে রাখতে জ্বালানি খাতের রূপান্তরকে বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সহায়ক নীতি, বৃহৎ পরিসরে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি মূলধনকে কাজে লাগানোই হবে ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, কৌশলগত বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বৈশ্বিক বাজারে পরিবেশগত ও টেকসই উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় জ্বালানি রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই বলে আলোচনায় উঠে এসেছে।

এইচএসবিসি, অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই), সুইডিশ দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের যৌথ উদ্যোগে ‘অ্যাডভান্সিং ডিকার্বনাইজেশন ফর অ্যাপারেল ইন আ চেঞ্জিং এনার্জি ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক এই উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড, প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বুধবার সুইডিশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে বক্তারা জানান, বৈশ্বিক পোশাক সরবরাহব্যবস্থা দ্রুত কার্বন নিঃসরণ কমানোর দিকে ধাবিত হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বাজারে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের শর্ত ক্রমেই কঠোর হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অপরিহার্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির নির্ভরযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ বাড়ানো গেলে উৎপাদনকারীরা জ্বালানি ব্যয় ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে পারবেন, যা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা পূরণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিলিয়াস বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক উৎপাদন খাতের কার্বন নিঃসরণ কমাতে অর্থায়নের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের পোশাক খাতের কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমাতে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে এইচএসবিসি হোল্ডিংস-এর ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমসের গ্লোবাল প্রধান র‌্যান্ডলফ ব্রাজিয়ার এবং এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এইচএসবিসি-এর সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান জাস্টিন উও বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খল কম কার্বন নিঃসরণের ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তিনি বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিচ্ছন্ন উৎপাদনকে যুক্ত করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে টেকসই পোশাক সরবরাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতের বৈশ্বিক নেতৃত্ব ধরে রাখতে জ্বালানি খাতের রূপান্তরকে বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সহায়ক নীতি, বৃহৎ পরিসরে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি মূলধনকে কাজে লাগানোই হবে ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin